১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

করোনার নতুন স্ট্রেইনে নাকাল ব্রাজিল, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর রেকর্ড

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইনের সংক্রমণে নাকাল অবস্থা ব্রাজিলের। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার (১৬ মার্চ)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কর্তৃপক্ষের জেরবার অবস্থা।

দেশটির সাও পাওলো রাজ্যের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ। নতুন করে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেখানকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা দেশটির নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন দেশজুড়ে লকডাউন জারি করা হয়। খবর বিবিসির।

দেশটিতে মঙ্গলবার নতুন করে ২ হাজার ৮৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে যা একদিনে সর্বোচ্চ। সাও পাওলোতে একদিনেই ৬৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে যা রাজ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১৬ লাখ ৯ হাজার ৬০১। এর মধ্যে মারা গেছে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪শ জন।

দেশটিতে ইতোমধ্যেই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১ কোটি ২ লাখ ৪ হাজার ৫৪১। বর্তমানে সেখানে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ জন। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে ৮ হাজার ৩১৮ জন।

বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন দেশটির নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মারসেলো কুয়েইরোগা। করোনা মহামারির মধ্যে একের পর এক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে। বর্তমান সরকারের চতুর্থ স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন মারসেলো।

গত সোমবার নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। করোনা মহামারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার দায়ে শুরু থেকেই দেশে এবং দেশের বাইরে সমালোচিত হয়ে আসছেন বোলসোনারো।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই যখন করোনা পরিস্থিতি ঠেকাতে কঠোর লকডাউন জারি করেছে তখন বোলসোনারো ছিলেন লকডাউন এবং মাস্কের বিরোধী। তার মতে কঠোর অবস্থান নিলে দেশের অর্থনৈতি অবস্থা ভেঙে পড়বে। তিনি নিজে করোনায় আক্রান্ত হলেও তাকে দেশজুড়ে কড়াকড়ি আরোপের বিষয়ে ইতিবাচক দেখা যায়নি।

এদিকে, মঙ্গলবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মারসেলো দেশের জনসাধারণকে মাস্ক পরা এবং বার বার হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।