১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিজিটাল আইন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক

কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেসক্লবে ডিজিটাল আইন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকঠাকুরগাঁওয়ে প্রেসক্লবে ডিজিটাল আইন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ‘তোমার চিন্তার সঙ্গে আমি দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু তোমার মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য আমি জীবন দিতে পারি’ এই প্রতিপাদ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মত ও চিন্তার স্বাধীনতার আলোকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২০ মার্চ) প্রেসক্লবের আনিসুল হক মিলনায়তনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পাদক শাহীন ফেরদৌস, কলামিস্ট মাসুদ আহমেদ সুবর্ন, সাংবাদিক মাহবুব আলম রুবেল, মজিবর রহমান খান, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা আশরাফি নিতু, সাংস্কৃতিক কর্মী এমএস আহমেদ রাজু, অমল টিক্কু, মাহামুদ হাসান প্রিন্স, অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তানভির হাসান তানু, সাংবাদিক নুর আফতাবুল আলম রুপম, নাজমুল ইসলাম, ফজলে ইমাম বুলবুল, বদরুল ইসলাম বিপ্লব, কামরুল হাসান,জেলা সিপিবির সম্পাদক অ্যাড. আবু সায়েম, সোহেল রানা প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রিজু।
বক্তারা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনগণের নিরাপত্তার পরিবর্তে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের প্রধান অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে। এ আইনের অধিকাংশ ধারাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মত ও চিন্তার স্বাধীনতার বিপক্ষে। তাই এ আইন বাতিলের সুপারিশ করেন এবং এই আইনে গ্রেপ্তারদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।

অনেকেই এই আইন স্থগিত করে আইনের অপ্রয়োগ রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করেন। বক্তারা আরও বলেন, এই আইন আমাদের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে মত প্রকাশ, চিন্তার স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের যে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে তার পরিপন্থী।
এছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের ১৯ ধারারও পরিপন্থী যা বংলাদেশ ২০০০ সালে এই সনদে স্বাক্ষর করেছিল। বক্তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও এ আইনে গ্রেপ্তাদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।