১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

বিএনপির ২৬ মার্চের র‌্যালি হবে ২৭ মার্চ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার দিবসে র‌্যালি না করে একদিন পিছিয়ে ২৭ মার্চ করার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রবিবার (২১ মার্চ) দুপুর ১টায় বিএনপির দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি এ পরামর্শ দেন।

সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির সুর্বণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বলেছি, বিএনপির দেশব্যাপী পূর্বঘোষিত কর্মসূচিগুলো অব্যাহত রাখতে চাই। আমরা সুর্বণজয়ন্তীর কর্মসূচি ঘোষণা করেছি অনেক আগেই। কর্মসূচি ঘোষণা করে সেসময় পুলিশের আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২৫, ২৬, ২৮ ও ৩০ মার্চের সবগুলো কর্মসূচি আমরা পালন করতে চাই। আজও এ ব্যাপারে ডিএমপির সহযোগিতা চেয়েছি। ৩০ মার্চের সমাবেশ ছাড়া অন্য কর্মসূচি পালনে তেমন কোনও অসুবিধা নেই বলে এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল।’

বিএনপির পূর্বঘোষিত ৩০ মার্চের সমাবেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিলো উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, ‘পুলিশ বলছে সেখানে তো এখন বইমেলা চলছে, কিভাবে সমাবেশে করবেন। আমরাও বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। তাই আমরা বলছি, ঠিক আছে। দলের ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। পরবর্তী সমাবেশের তারিখ ও স্থান নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো- সমাবেশ করবো নাকি সময় পরিবর্তন করবো।’

সলাম বলেন, ‘আমাদের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের র‌্যালির বিষয়ে ডিএমপির পক্ষে থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তারা বলেছে, আপনারা তো এর আগে ২৭ মার্চ র‌্যারি করেছেন। এবারও ২৬ মার্চের পরিবর্তে ২৭ মার্চ র‌্যালি করলে কোনও অসুবিধা আছে কিনা? আমরা বলেছি কোনও সমস্যা নাই, প্রয়োজনে ২৭ মার্চই র‌্যালি করবো। তবে, ২৬ মার্চের সাভার স্মৃতিসৌধ ও শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যাওয়াসহ অন্যন্যা কর্মসূচিগুলো অব্যাহত থাকবে।’

এসময় প্রতিনিধিদলের অপর সদস্য বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।