১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পানি সরবরাহ বন্ধ!

ইমরুল হাসান বাবু, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গত তিন দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বুধবার(২৪ মার্চ) সকাল পর্যন্ত পানি সরবরাহ চালু না হওয়ায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। এ নিয়ে পৌরসভার পানি সরবরাহের পাইপ নষ্ট হওয়ায় এমন ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, রোববার (২২ মার্চ) থেকে টাঙ্গাইল পৌরসভার পানি সরবরাহকৃত পাইপ লাইন নষ্ট হওয়ায় হাসপাতালের অপারেশন বিভাগ (ওটি) ও সাধারণ ওয়ার্ডগুলোতে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পানি সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় পরবর্তীতে বাইরে থেকে বালতি দিয়ে পানি এনে চিকিৎসকদের অপারেশন কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এছাড়া রোগীদেরও বাইরে থেকে পানি এনে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, হাসপাতালে পানি সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় চরম ভোগান্তি হচ্ছে তাদের। ফলে হাসপাতালের টয়লেটে প্র¯্রাব-পায়খানা করা যাচ্ছে না।
হাসপাতালের ৭নং ওয়ার্ডের ভর্তি রোগী হামিদা বেগম বলেন, গত দুইদিন যাবৎ হাসপাতালে পানি পাওয়া যাচ্ছেনা। এতে চরম সমস্যা হচ্ছে তাদের। এতে পয়ঃনিষ্কাশনসহ খাবার পানির সংকট তৈরি হয়েছে। ছাবিনা বেগম বলেন, চরম কষ্ট হচ্ছে পানি না থাকায়।

হাসপাতালের আয়া সালেহা খাতুন বলেন, হাসপাতালে ওয়ার্ডে পানি সরবরাহ না থাকায় টয়লেটের ভিতর টিস্যুর স্তুপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে রোগী ও অপারেশন বিভাগে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালে পুরুষ ওয়ার্ডের আবু বক্কর নামের এক রোগীর স্বজন বলেন আজ তিনদিন যাবত হাসপাতালে পানি না থাকায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।হাসপাতালে একটি টিউবয়েল সেখানে লাইনধরে পানি আনতে হচ্ছে।মজনু নামের এক রোগীর স্বজন ক্ষোভের সাথে জানান,এ হাসপাতালে ৫’শর বেশী রোগী দোতলায় নিচতলা থেকে পানি এনে রোগীকে গোসল ,প্র¯্রাব,পায়খানার কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে এটা অত্যান্ত দু:খজনক।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, রোববার সন্ধ্যায় জানতে পেরেছি হাসপাতালে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে অপারেশন বিভাগে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়েছে। বাইরে থেকে বালতি দিয়ে পানি এনে ওটিতে কাজ করতে হচ্ছে। পৌরসভার পানি সরবরাহের পাইপটি নষ্ট হওয়ায় এমন দুর্ভোগে পরেছেন তারা। এবিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্পভাবে পানি সরবরাহ করতে গণপূর্ত বিভাগকে জানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের (পিডব্লিউডি) নির্বাহী প্রকৌশলী আল আমিন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার পাইপ লাইন নষ্ট হওয়ার ফলে হাসপাতালে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। খুব দ্রুতই বিকল্প প্রদ্ধতিতে হাসপাতালে পানি সরবরাহ শুরু হবে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।