১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

বাংলাদেশে সেবা বিপর্যয়ে যা বলছে ফেসবুক

বাংলাদেশে হঠাৎ সেবা সীমিত হওয়ার কারণ জানালো ফেসবুক। গতকাল শুক্রবার দুপরের পর থেকে ফেসবুক এবং বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ মেসেঞ্জারের সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় শনিবার বিবৃতি দেয় এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মনে করে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুই দিনের সফরকে কেন্দ্র করে চলমান বিরোধিতার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (২৬ মার্চ) থেকে বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি ডাউন করে রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে মার্কিন জায়ান্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক জানায়, আমরা অবগত রয়েছি যে— বাংলাদেশে আমাদের সেবাগুলো সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আরও বেশি ভালোভাবে জানার চেষ্টা করছি এবং দ্রুতই পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু হবে বলে আশা করছি।

ফেসবুক আরও বলেছে বলেছে, করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য যখন কার্যকর যোগাযোগ প্রয়োজন; তখন বাংলাদেশে ফেসবুকের সেবা সীমিত করে দেওয়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ‘ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ডাউন রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কেউ কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এর আগেও বিক্ষোভের বিস্তার রোধের অংশ হিসেবে ইন্টারনেট শাটডাউন রেখেছিল সরকার।’

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, মোদির সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় শুক্রবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় আন্দোলনকারীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে চারজন নিহত হয়।

রয়টার্স জানিয়েছে, কট্টরপন্থী গোষ্ঠী হেফাজতে ইসলাম চট্টগ্রামে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার (২৮ মার্চ) সারাদেশে হরতাল ডেকেছে। হেফাজত ও দলটির সমর্থকরা মোদির বিরুদ্ধে ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন।

গত বছর করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার পর বাংলাদেশের মাধ্যমে আবার বিদেশ সফর করলেন নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে দুই দিনের জন্য শুক্রবার ঢাকায় পা রাখেন তিনি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।