১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

জোড়ায় জোড়ায় আউটে লজ্জার আত্মসমর্পণ বাংলাদেশের

ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজটাও বাজে হারে শুরু হলো বাংলাদেশের। পেস বোলারদের চাকচিক্যহীন বোলিংয়ের পর ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৬ রানে হেরেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। বিপরীতে বড় জয় নিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে কিউইরা।

হ্যামিলটনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ডেভন কনওয়ের দুর্দান্ত ৫২ বলে ৯২ ও ইয়াংয়ের ৩০ বলে ৫৩ রানে ভর করে ৩ উইকেটে ২১০ রানের বড় সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। মার্টিন গাপটিল ২৭ ৩৫ ও ফিলিপসের ব্যাট থেকে ১০ বলে আসে ২৪ রান।

২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একপ্রান্তে দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন নাঈম শেখ। দলীয় ২০ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪ রানে সাউদির শিকার হয়ে ফিরেন লিটন দাস। এরপর লাকি ফার্গুসনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পা দেন ১৮ বলে ২৭ রান করা নাঈম। ষষ্ঠ ওভারে জোড়া আঘাত হানের ইশ সৌদি। ওই ওভারের চতুর্থ বলে ৬ বলে ৫ রান করা সৌম্য ও ওভারের শেষ বলে ৬ বলে ৪ রান করা মোহাম্মদ মিঠুনকে সাজঘরে পাঠান এই স্পিনার।

সৌম্য-মিঠুন জোড়ায় জোড়ায় আউট হওয়ার পর একই পথে পা বাড়ালেন মাহমুদউল্লাহ ও শেখ মেহেদি। এখানেও সৌদির দ্বিতীয় দফায় জোড়া আঘাত। শেষ ওয়ানডে দুর্দান্ত ব্যাট করা টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও এদিন নিজের ছায়া হয়ে রইলেন। সৌদির করা অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে ১১ রান করা মাহমুদউল্লাহ বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন। পরের বলেই শেখ মেহেদিকে বোল্ড করেন সৌদি।

দলীয় ৫৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ৩৩ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে কিছুটা সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যান আফিফ হোসেন ধ্রুব। সাইফুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন। ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলে ফার্গুসনের শিকার হন আফিফ। সাইফুদ্দিন ৩৪ বলে ৩৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। শরিফুল ইসলাম ৭ বলে ৫ রান করেন। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ম্যাচসেরা হন ডেভন কনওয়ে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।