১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নওগাঁয় অবৈধ ইটভাটা বন্ধসহ পরিবেশ দূষণ মুক্তের দাবিতে মানববন্ধন

আতাউর শাহ্, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁ পৌর সভার ৭টি ইটভাটাসহ জেলায় ১৯৬টি অবৈধ ইটভাটা বন্ধসহ পরিবেশ দূষণ, নদী দখল, ও দূষণ মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপূরে সুশাসনের জন্যে নাগরিক (সুজন) নওগাঁ জেলা কমিটির আয়োজনে ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

সুজনের নওগাঁ কমিটির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমান মানু, গণমাধ্যমকর্মী ইনডিপেনডেন্ট টিভির নওগাঁ প্রতিনিধি সাদেকুল ইসলাম, সময় টিভির নওগাঁ প্রতিনিধি এম আর রকি, জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক সুমন, জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম, সুজনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী বেলাল, জেলা নার্সারী মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তাক আহম্মেদসহ বিভিন্ন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তরা বলেন, জেলায় দীর্ঘ দিন থেকে ২০৩টি ইটভাটার মধ্যে পৌর সভার ৭টিসহ জেলায় ১৯৬টি অবৈধ্য ইটভাটা ভাবে চালু থাকায় পরিবেশ দূষিত করে আসছে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের কর্তারা রহস্যজনক ভাবে এই অবৈধ্য ইটভাটার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেন না।

দ্রুত অবৈধ্য ইটভাটা বন্ধ, পরিবেশ দূষণ, নদী দখল মুক্তসহ পরিবেশ ধ্বংসকারি নওগাঁ জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া এ ব্যাপারে নওগাঁ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মকবুল হোসেন জানান, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে গত ডিসেম্বর থেকে চলতি মাস পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কাছে ৩টি পত্র পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন যদি এরপরও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে তাদের কিছু করার নেই। নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ বলেন, আমারতো বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে থাকি। পরিবেশের ক্ষতি হলে পরিবেশের কর্মকর্তারা নিজেরাই ইট ভাটাসহ যে কোন দোষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন। তারপরও পরিবেশের কোন ক্ষতি হলে দ্রুত বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।