১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

সিরাজদিখানে হেফাজতের তান্ডবের প্রতিবাদে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ-সমাবেশ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ২৮ মার্চ বিকালে হেফাজতের তান্ডব ও আওয়ামীলীগের ১১ নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে।
আজ বিকালে উপজেলার নিমতলা এলাকায় ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে সংলগ্ন লোকাল সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। উপজলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব লুৎফর রহমান।

বক্তারা হেফাজত ইসলামকে হুশিয়ারী করে বলেন, আর যদি আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের কোন একটি নেতা ক্ষতিগ্রস্থ হয় আপনাদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না । সন্ত্রাসী হেফাজত ইসলাম নাকি ইসলামী সংগঠন তাহলে ইসলামের কোথায় আছে অন্যদলের নেতাকর্মীদের বাড়ীঘরে আগুন দিতে হবে, বাড়ীঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করতে হবে । আমাদের ১১ জন নেতাকর্মীর বাড়ী ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ কেন করেছেন এর জবাব আপনাদেরকেই দিতে হবে। হেফাজত ইসলামের তান্ডব ৭১ সালের পাক হানাদার বাহিণীকেও হার মানিয়েছে । পাশের দেশের রাস্ট্র প্রধান আমাদের দেশে আসতেই পারে তাই বলে কি দেশে তান্ডব চালাতে হবে?

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল আলম চৌধুরী,জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট আবুল কাশেম, জেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সামছুল হক, ইছাপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন হাওলাদার, লতব্দি ইউপি চেয়ারম্যান এসএম সোহরাব হোসেন, বালুরচর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক, রশুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, চিত্রকোট ইউপি চেয়ারম্যান শাসসুল হুদা বাবুল,মধ্যপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল করিম, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদ, যুগ্ন আহবায়ক জহিরুল ইসলাম লিটু, মাসুদ লস্কর, যুবলীগ নেতা জাহিদ শিকদার, আরিফ রশীদ, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সৈকত মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক পারভেজ চোকদার পাপ্পু, তাঁতীলীগ সভাপতি রাসেল।

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, কৃষকলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।