১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

সিরাজদিখানের পল্লিবিদ্যুতের ১১ কেভি লাইনে ঝলসে গেছে যুবক

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে পল্লিবিদ্যুতের লাইনে কাজ করতে গিয়ে ঝলসে গেছে এক যুবক। খুটিতে ইন্টারনেটের তার টানতে গিয়ে ১১ হাজার বিদ্যুতের তারে পুড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন শুভ দাস (২২) এক যুবক। সে সিরাজদিখান উপজেলার ফুরশাইল গ্রামের দীনেশ দাসের ছেলে ও তালতলা বাজার স্কাইনেট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের লাইনম্যান।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার মালখানগর কলেজ রোডে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করে। তার অবস্থা আশঙ্কজনক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ছেলেটি ৩৩ কেভি লাইনের খুটির উপর কমপক্ষে ২০ ফুট উচ্চতায় উঠে ইন্টারনেটের লাইনের তারের কাজ করতেছিলো। সেখানে ১১ কেভির একটি লাইন তার কোমড়ে লেগে যায়। সাথে সাথে তার শরীরের বেশির ভাগ অংশ ও পড়নের কাপড় পুড়ে যায়। পরে বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিয়ে লাইন বন্ধ করা হয়। এরপর কয়েকজন মিলে উপর থেকে তাকে নিচে নামায় এবং হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলা পল্লিবিদ্যুৎ সমিতি ডিজিএম খন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে লোক পাঠিয়েছি। আমাদের অবহিত না করে তারা ইন্টারনেট এর তার টানছিলো। এটা ঠিক না, ৩৩ কেভি লাইনের একটা তার ছিড়ে গেলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পাড়ে। আমাদের খুটিতে তার টানার কোন অনুমতি নেই। জনগণের ইন্টারনেট সেবা ঠিক রাখতে আমাদের বিদ্যুতের পুল অনেকে ব্যাবহার করে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।