১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

পাকিস্তান দেশটির ফুটবলের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা

পাকিস্তান ফুটবলের সাম্প্রতিক অস্থিরতার মাঝেই আবারও এলো দুঃখের সংবাদ। দেশটির ফুটবলের সব কার্যক্রম  নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা।

বুধবার (৭ এপ্রিল) ফিফার দেওয়া এক বিবৃতে “তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ” এর কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানায় তারা।

ধারণা করা হচ্ছে সতর্ক করা স্বত্তেও ফিফা অনুমোদিত ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটি সরকারের হস্তক্ষেপে ভেঙে দেওয়া ও পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের কার্যালয় দখলের ঘটনাই দায়ী ফিফার এই সিদ্ধান্তের পিছনে।

অবশ্য এই নিষেধাজ্ঞা ফিফা অনুমোদিত কোনো কমিটি পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের দায়িত্ব নিলে প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছে ফিকা কর্তৃপক্ষ।

তবে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান ফুটবলের জন্য নতুন ঘটনা না। আদালতের নির্দেশে গঠিত কমিটি ফেডারেশনের দায়িত্ব নিলে ফিফা কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে সেই কমিটিকে নিষিদ্ধ করেছিল। পরবর্তীতে সেই নিষেধাজ্ঞা ফিফার দেওয়া নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করলে প্রত্যাহার করা হয়।

এদিকে শুধু পাকিস্তান ফুটবল দলকেই নয় চাদের ফুটবল ফেডারেশনকেও নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। পাকিস্তানের মতো একই কারণ দেখিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৭৮ নম্বর দলটির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ফিফা।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।