১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নরসিংদীর মেঘনা নদীতে স্পীডবোটের মুখোমুখী সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত-৪

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: নরসিংদীর মেঘনা নদীতে দুই স্পীডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে হানিফ মিয়া (৬০) নামে একজন নিহত ও নাহিদ মিয়া নামে দুই বছরের এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। সোমবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার করিমপুর ও শ্রীনগরের মধ্যবর্তী স্থানের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত হানিফ মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানার পাহাড়কান্দি এলাকার মৃত সুরজ মৌলভীর ছেলে। আহতরা হলেন- নিহত হানিফ মিয়ার মিয়ার ছেলের বউ সানজিদা আক্তার (২৭) অপর ছেলের বউ ইমা (২৪), ভাতিজা দুলাল মিয়া (৩০) এবং বেয়াই মোসেন মিয়া (৩২)।
নিখোঁজ শিশু নাহিদ নরসিংদী শহরের বানিয়াছল এলাকার ফারক মিয়ার ছেলে ।করিমপুর নৌ পুলিশ ফাড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মাহবুব আলম দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করলেও মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি।

নৌ-পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্ধ্যায় ব্রাহ্মনবাড়িয়ার সলিমগঞ্জ থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পীডবোট নরসিংদীর দিকে আসছিল। এসময় বিপরীত দিক নরসিংদী ঘাট থেকে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মরিচা ঘাটের দিকে যাওয়ার পথে চম্পকনগর এলাকায় অপর একটি স্পীডবোটের মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে দুই বোটের ৪ জন আহত ও একজন নিহত হয়। এসময় বোট থেকে ছিটকে পড়ে এক শিশু নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, বিকেলে নরসিংদীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে ডাক্তার দেখিয়ে স্পীডবোটে করে বাঞ্চারামপুরে ফিরছিলেন হানিফ ও তার পরিবারের সদস্যরা। করিমপুর ও শ্রীনগরের মধ্যবর্তী স্থানে পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা স্পীডবোটের সাথে সংঘর্ষ হয়। এসময় আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। পরে একটি বে-সরকারী ক্লিনিকে নেয়ার পর হানিফ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এছাড়া বাকী আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নরসিংদীর করিমপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুব আলম জানান, খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে। তবে নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে শুনেছি খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।