১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ত্রিপলে ঢাকা ট্রাক তল্লাশি করতেই মিলল ৪৩ জন যাত্রী

ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে পণ্য পরিবহণ করা ট্রাকের পিছনের অংশ। ঢেকে রাখা ট্রাকটিতে কি আছে? তল্লাশি করতেই বেরিয়ে এলো ৪৩ জন মানুষ। সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন বুধবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা শহরের চুয়াডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকটি পণ্য পরিবহণের পরিবর্তে যাত্রী নিয়ে সাতক্ষীরা যাচ্ছিল। আটকের কিছু সময় পরে মানবিক বিবেচনায় গন্তব্যে যেতে দেওয়া হয় ট্রাকের যাত্রীদের।

এদিকে জেলা শহরের পোস্ট অফিস মোড়, বাস টার্মিনাল, আরাপপুর, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে প্রশাসন।

সড়কে চলাচলকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। জেলা শহরের সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। অধিকাংশ স্থানে শ্রমিকরা কাজে আসেননি। জেলার অন্যান্য স্থানেও সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকর করতে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন ও পুলিশ।

এদিকে ইসলামী ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহের উপ-পরিচালক আব্দুল হামিদ খান জানান, বুধবার দাফন কমিটির পক্ষ থেকে করোনায় মৃত্যুবরণ করা দুইজনের লাশ দাফন করা হয়েছে। তারা হলেন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার হামিরহাটি গ্রামের মৃত আনসার আলীর স্ত্রী হাওয়াতুন নেছা (৫০) ও একই উপজেলার মান্দিয়া গ্রামের প্রফেসর মো. আব্দুল লতিফ (৭৭)।

হাওয়াতুন নেছা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে এবং মৃত্যু হয়েছে প্রফেসর মো. আব্দুল লতিফ ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঢাকাতে মৃত্যুবরণ করেন।

উপ-পরিচালক আরও জানান, হাওয়াতুন নেছার স্বামী ৬ দিন আগে (৯ এপ্রিল) করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানবিদ জাহাঙ্গীর হোসেনের দেওয়া তথ্য মতে, জেলায় সব চেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৯ জনের নমুনায় ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হারুন অর রশীদ জানান, চলতি মাসে এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ৫০ বেডের করোনা ওয়ার্ডে ১৬ জন ভর্তি আছেন বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।