১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আয়রন ডোম নিয়ে চিন্তিত ইসরাইল

ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ইয়োসি ল্যাঙ্গোটস্কি বলেছেন, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারবে না তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আয়রন ডোম।

ইসরাইলের হিব্রু ভাষার দৈনিক পত্রিকা মারিভকে রোববার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাঙ্গোটস্কি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর আগে যেসব যুদ্ধ হয়েছে তাতে প্রমাণিত হয়েছে, আয়রন ডোম মোটেই নির্ভরযোগ্য কোনো ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা নয়। সেসব যুদ্ধে আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ফিলিস্তিনিদের রকেট মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

কর্নেল ল্যাঙ্গোটস্কি বলেন, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ যদি ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ শুরু করে, তখন তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের সামান্য একটা অংশ প্রতিহত করতে সক্ষম হবে আয়রন ডোম।

এই প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের কোনো যুদ্ধে শুধু একটি ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা ইসরাইলের উচিত হবে না। কারণ হামাস ও হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের কৌশলগত স্থাপনার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

ইসরাইলের সাবেক সেনা কর্মকর্তা সুস্পষ্ট করে বলেন, আয়রন ডোমের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে— এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্বল্পপাল্লার রকেটকে বাধা দিতে পারে না। একইভাবে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকেও আয়রন ডোম বাধা দিতে সক্ষম নয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।