১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

অর্থের অভাবে ছেলেকে কিডনি দান করতে পারছেন না ‘মা’

এসএম বাচ্চু,তালা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৭ বছর যাবত কিডনি রোগে আক্রান্ত সুমন। প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে মাসে একবার ডায়ালিসিস করতে হতো কিন্তু বর্তমান পর্যায়ে সপ্তাহে দুটি ডায়ালাইসিস করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুমন কুমার দাশ। সুমন এর বাবা সন্তোষ দাশ একজন দিনমজুর।

নিজের সন্তানকে জীবত রাখতে মা কিডনি দান করে চান। কিন্তু অর্থের অভাবে সেটিও পেরে উঠছে না সুমনের পরিবার। প্রথম হতে এলাকা ভিত্তিক সামান্য কিছু সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে তার দৈনন্দিন চিকিৎসা ও ডায়ালাইসিস কোনক্রমে চলতে থাকলেও বতর্মমানে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করা যায় তাহলে সে আবার সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে। কিডনি প্রতিস্থাপন করতে খরচ হবে প্রায় ৫-৭ লক্ষ টাকা। এত টাকা জোগাড় করার সামার্থ নেই সুমনের পিতা-মাতার।

সুমন কুমার দাশ জানান, প্রতিবার ডায়ালাইসিস করাতে ৩২ শ থেকে ৫ হাজার খরচ হয় । হতদরিদ্র বাবার পক্ষে সেই খরচ করা অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে । ইতি মধ্যে তার মায়ের কিডনি তার সাথে ম্যাচিং হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকরা। সুমন দাশের মা রীতা দাশের কিডনি তার শরীরে প্রতিস্থাপন করা ও আগে পরে বিভিন্ন খরচ বাবদ ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ পড়বে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা ।

মা রীতা দাশ জানান , আমার কিডনি দেওয়ার জন্য সকল পরীক্ষা সম্পর্ণ করেছি কিন্তু কিডনি প্রতিস্থাপনের খরচ যোগাতে না পারায় ছেলেটি আমার ধুকে ধুকে আজ মৃত্যু পথযাত্রী। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি, কোন দাতা সংস্থা বা সরকারিভাবে যদি এই অসহায় তরুণ ছেলেটির জন্য চিকিৎসার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে বেঁচে যেতে পারে একটি তরতাজা প্রাণ।তাই পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে সকলের সাহায্য কামনা করেছে এলাকাবাসী।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।