১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ভারতের সঙ্গে ৩০ দিন সীমান্ত বন্ধের দাবি

ভারতে করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার ও ভারতের পশ্চিম বাংলায় করোনাভাইরাসের ট্রিপল মিউটেশন ভ্যারিয়েন্ট B.1.168 (বেঙ্গল স্ট্রেইন) আবির্ভাব ঘটার সংবাদে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ। মারাত্মক সংক্রমক এই বেঙ্গল স্ট্রেইনের বাংলাদেশে প্রবেশ প্রতিরোধ লক্ষ্যে ভারত থেকে আগমন ও প্রস্থান বাতিল করতে আগামী ৩০ দিন সীমান্ত বন্ধ করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ আহবায়ক ডা. ফয়জুল হাকিম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা হারুন অর রশিদ,জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা রওশন আরা, জনস্বাস্থ্যসেবা সংগঠক অনুপ কুণ্ডু ও সামিউল আলম এক যুক্ত বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতারা আরও বলেন, মহামারি কোভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রথম থেকেই জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ না করে শেখ হাসিনা সরকার আমলা নির্ভর ভ্রান্ত নীতি গ্রহণ করায় দেশের জনস্বাস্থ্য আজ এক হুমকির মুখে পড়েছে।কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ না হয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমণ বিস্তার স্থায়ী হতে চলেছে।

বিবৃতিতে এশিয়ায় ভারত, কোরিয়া, ইরান প্রভৃতি দেশ করোনা ভ্যাক্সিন উৎপাদন প্রক্রিয়ায় থাকলেও বাংলাদেশে করোনা ভ্যাক্সিন উৎপাদনে যেমন সরকারি মহলের কোনো আগ্রহ ছিল না, তেমনি দেশের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে সঠিক বাস্তবানুগ পরিকল্পনা ছিল না।সরকার শুধুমাত্র ভারতের সিরাম ইনিস্টিউটের তৈরি করা অক্সফোর্ড-অস্ট্রাজেনিকা ভ্যাক্সিন আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং তা সরাসরি সরকারিভাবে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকোর মাধ্যমে ক্রয়ের ব্যবস্থা করেছিল।এখন ভারতের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ায় বাংলাদেশের ভ্যাকসিন প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে দৈনিক টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, করোনা প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ করা , আগামী বাজেটে কোভিড-১৯ প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামরিকখাতসহ অনুৎপাদক খাতে বরাদ্দ হ্রাস করে স্বাস্থ্যখাত,শিল্প ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।