১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

বাবা– মা’র কবরের পাশে শায়িত হলেন মুনিয়া

কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত হলেন মোশারাত জাহান মুনিয়া। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বাদ আছর নামাজে জানাজা শেষে পরিবারিক কবরস্থানে তাকে শায়িত করা হয়।

এর আগে ৫টা ৭ মিনিটে ঢাকা থেকে তাকে বহনকারী লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁওস্থ তার বড় বোন ও মামলার বাদী নুসরাত জাহানের বাসায় আনা হয়। এখানে লাশটি আনা মাত্র এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আত্মীয় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। মাত্র ৩-৫ মিনিট এখানে রাখার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জানাজা ও দাফনের উদ্দেশ্যে টমছমব্রিজ কবরস্থানে। সেখানে বাদ আছর জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এই কবরস্থানেই নিহত মোশরাত জাহান মুনিয়ার বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা সফিকুর রহমান ও মা ব্যাংক কর্মকর্তা সেতারা বেগমকে দাফন করা হয়েছিল।

জানাজা শেষে মুনিয়ার আত্মীয় স্বজনরা সাংবাদিকদের জানান, দেশের প্রত্যেক নাগরিকেরই সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। মুনিয়াকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করছে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। টাকার ও ক্ষমতার জোরে যেন সে কোন মতেই পার পেয়ে যেতে না পারে। আমরা মুনিয়া হত্যার বিচার চাই। সায়েম সোবহানের ফাঁসি চাই।

উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যার পর গুলশান-২-এর ১২০ নম্বর রোডের ১৯ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান (মুনিয়া) নামের এই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সোমবার দিবাগত সাড়ে তিনটার দিকে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে গুলশান থানায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পোস্ট মর্টেম শেষ করে আইনি জটিলতা পেরিয়ে আজ বিকেলে মুনিয়ার লাশ কুমিল্লা আনা হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।