১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

শ্রীনগরে বীরতারায় রাস্তার কাজ উদ্বোধন

মোহন মোড়ল,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: শ্রীনগরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি রস্তার উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মুন্সীগঞ্জ-১আসনের এমপি মাহী বি চৌধুরী আমেরিকা থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাস্তাটি উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মসিউর রহমান মামুন।

শ্রীনগর উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের সাতগাঁও বাসস্ট্যান্ডে অন্যান্যদের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. ওয়াহিদুর রহমান জিঠু, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. রাজিউল্লাহ, বীরতারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজিম হোসেন খান, শ্রীনগর উপজেলা বিকল্পধারার আহবায়ক এমএ হাকিম, সদস্য সচিব গাজী শহিদুল্লাহ কামাল ঝিলু, যুগ্ন-আহবায়ক জিল্লুর রহমান, মো. আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল্লাহ খান মুন, বীরতারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল করিম, সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির শেখ, আওয়ামী লীগ নেতা হারুন অর রশিদ, সিদ্দিকুর রহমান লস্কর, যুবলীগ নেতা এ্যাডভোকেট দ্বীন ইসলাম, সঞ্জয় গোস্বামী প্রমুখ।

জানা যায়, বীরতারা এলাকার সাতগাঁও থেকে নিমতলী হয়ে চারিগাঁও পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার ৭০০ মিটার দীর্ঘ ও প্রায় ১১ ফুট প্রস্থ রাস্তাটির চুক্তি মুল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। কাজটি সম্পাদন করবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চোকদার ট্রেডার্স। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গা চুরা এই রাস্তাটির কারণে ওই এলাকার মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছিল।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।