১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

সিরাজদিখানে নিন্মমানের ইট দিয়ে চলছে রাস্তা নির্মাণের কাজ

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের খাসমহল বালুচর দক্ষিণ পাড়া সড়ক পাকা করার কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিকাদার নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়, খাসমহল বালুচর দক্ষিণ পাড়া মাদরাসা হতে বাদসা মার্কেট পর্যন্ত রাস্তাটি এর আগে ইট দিয়ে নির্মাণ করা ছিল। এখন সেই রাস্তার ২শত ৫০ মিটার পিচ করার কাজ করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এ জন্য ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় কাজ শুরু করেছেন ঠিকাদার মো. মোজাম্মেল । খোয়া বিছানোর কাজ চলছে।

এলাকাবাসী জানান, রাস্তা নির্মাণের জন্য যে মানের ইট দেওয়ার কথা ঠিকাদার তা দিচ্ছেন না। ফলে রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

ঠিকাদার মোজাম্মেল বলেন, কাজটা আমি পেলেও কাজ করাচ্ছে বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুবক্কর সিদ্দিক । আপনারা নিউজ কইরেন না আমি দেখতাছি বিষয়টা।

বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবুবকর সিদ্দিক বলেন এবিষয়ে আমার কিছু জানা নাই, রাস্তার কাজ করবে এলজিইডির ঠিকাদার।

এ ব্যাপারে এলজিইডির সিরাজদিখান উপজেলা প্রকৌশলী সোয়েব বিন আজাদ জানান, অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি তিনি তদন্ত করে দেখা হবে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।