১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

দিনাজপুরে মহিবুলের সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের মাদক সম্রাট, ভূমিদস্যু, লুটেরা মহিবুল ও তার ছেলে কিশোর সন্ত্রাসী মারুফসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র আশিক এলাহী লিটারের উপর কাপুরুষিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বালুয়াডাঙ্গা টেম্পু শ্রমিক ও এলাকাবাসী। ১ মে শনিবার অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার দাবি করা হয়।

স্থানীয়রা জানান গত ৩০ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় মহিবুল ও তার ছেলে মারুফসহ সন্ত্রাসী দল বালুয়াডাঙ্গা টেম্পু স্ট্যান্ডে আশিক এলাহী লিটারের উপর আকষ্মিক হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা এ সময় ধারালো খুর, হাসুয়া, চাপাতি, লোহার রড, লাঠি-সোটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই হামলা করে। এসময় লিটার মারাত্মক রক্তাক্ত অবস্থায় সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। এলাকাবাসী তাকে দিনাজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর আশিক এলাহী লিটার জানান, মোস্তাফিজুর রহমান মহিবুল স্থানীয় আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী এবং পাগলু টেম্পু স্ট্যান্ডের সেক্রেটারী। এই পদ পাওয়ার সুযোগে মহিবুল সব কিছু লুটপাট করে খাবার চেষ্টা করছে। কেউ বাধা দিলেই তার বিরুদ্ধে চড়াও হয় মহিবুল ও তার পুত্র মারুফ। মানব বন্ধনে এলাকাবাসি সন্ত্রাসি মহিবুল ও মারুফ এর গ্রেফতারের দাবি জানান। এ ঘটনায় লিটারের স্ত্রী রানী বেগম বাদী হয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।