১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নরসিংদীতে বেলাবতে অসচ্ছল ইমাম ও রোগীদের সরকারী অনুদান প্রদান

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীর বেলাবতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে উপজেলার অসচ্ছল ইমামদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এসময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভারসিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের এককালীন আর্থিক অনুদানের চেকও প্রদান করা হয়।

এ উপলক্ষে রবিবার সকাল ১১ টায় উপজেলা হলরমে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যেমে জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন উপজেলার ২০ জন অসচ্ছল ইমামদের প্রতিজনকে দুই হাজার পাঁচশ টাকা করে এবং ক্যান্সার, কিডনি, লিভারসিরোসিস, স্টোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের মধ্যে ১৭ জনকে প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন শাহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে অসচ্ছল ২০জন ইমামকে দুই হাজার পাঁচশ করে ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় রোগীদের মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে ২০ জনের মধ্যে ১ জনের মৃত্যু ও ২ জন উপস্থিত না হওয়ায় আজকে ১৭ জনকে এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

চেক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন শাহিন,উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনিরজ্জামান জাহাঙ্গীর,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বেলাল হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার খালেদা, মুক্তিযোদ্ধা মনিুরজ্জামান খাঁন, বেলাব প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ আঃ জলিল, সাবেক প্রেসক্লাব সভাপতি মোশারফ হোসেন নীলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিকবৃন্দ।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।