১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

রজতরেখা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সিরাজদিখানে প্রতিবাদ সভা

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান প্রেসক্লাবে স্থানীয় দৈনিক রজত রেখা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সাদীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা করেছে সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সাংবাদিক গন।

মঙ্গলবার ৪ মে বেলা ১১টায় সিরাজদিখান প্রেসক্লাবে স্থানীয় দৈনিক রজতরেখার সিরাজদিখান প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের উদ্যোগে সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক যাবেদুর রহমান যুবায়ের এর সঞ্চালনায় এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় । এ-সময় উপস্থিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন এই ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। সভায় এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। বক্তারা আরো বলেন তা না হলে আমরা আরো কঠিন কর্মসুচি দিতে বাধ্য হবো।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আরিফ হোসেন হারিছ, হাবিবুর রহমান, নাসির উদ্দীন, হামিদুর ইসলাম লিংকন, জাহাঙ্গীর আলম চমক, ডা: মিজান, মাষ্টার মিজানুর রহমান, আজিম হাওলাদার ,আমির হোসেন ঢালী,মেহেদি হাসান সুমন,হাবিব হাসান প্রমুখ।

উল্লেখ্য: গত ২৩ এপ্রিল মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়ানের ছোট মোল্লাকান্দি ও খাসকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংর্ঘষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে তাকে আসামী করে তার বিরুুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।