১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নরসিংদী বেলাবতে ইউপি সদস্যের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, দুই ককটেল উদ্ধার

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীর বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য কামরন্নাহারের বাড়ির আঙ্গিনাতে কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে বেলাব থানা পুলিশ। শনিবার (৮ মে) ভোরে উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের দক্ষিণ বটেশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে ইউপি সদস্য কামরন্নাহার এর বাড়ির আঙ্গিনায় বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এঘটনায় ওই পরিবারসহ আশেপাশের এলাকায় আতংক সৃষ্টি হয়। এ সময় আরো দুটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে বেলাব থানা পুলিশ, নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) সত্যজিৎ রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে নিস্ক্রিয় করেছে।

ইউপি সদস্য কামরন্নাহার জানান, প্রতিবেশী শহিদুল্লাহ পাঠানের সাথে তার পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে তার ছেলে হুমায়ুনকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই এ ককটেল ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধারণা তার।

শহিদুল্লাহ পাঠান বলেন, তাদের সাথে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা রয়েছে এ তথ্য সঠিক। কিন্তু ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা কারা ঘটিয়েছে তা আমরা জানি না। আমাদের বিরদ্ধে এটা মিথ্যা অভিযোগ।

বেলাব থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন পলাশ বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে দুটি ককটেল উদ্ধার করে নিস্ক্রিয় করেছি। এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।