১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

শ্রীনগরে প্রতিষ্ঠানের নামে সাইবোর্ড সাটিয়ে সম্পত্তি দখলের পায়তারা!

মোহন মোড়ল,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের উত্তর কামারগাঁওয়ে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের নামে সাইবোর্ড সাটিয়ে সম্পত্তি দখলের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেন খানের পুত্র মাইনুল হোসেন খান ওরফে মালনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আঁধারে কামারগাঁও খান বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দাবী করেন এই সাইবোর্ডটির বিষয়ে তারা অবগত নন। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, কামারগাঁও মৌজার ১১৬৭নং দাগে মোট সম্পত্তির পরিমান ৪১ শতাংশ। এর মধ্যে একই মৌজার আরএস ৩১৩৮নং দাগ, ৪৭৯নং খতিয়ানে আব্দুল লতিফ খানগং ১৩ শতাংশের মালিক। এছাড়াও তার ওয়ারিশরা ক্রয়সূত্রে মালিক ৩ শতাংশ এখানে আব্দুল লতিফ খান ও তার ওয়ারিশগণের মোট মালিকানা সম্পত্তির পরিমাণ ১৬ শতাংশ। বাকী সম্পত্তির মালিক প্রতিবেশী মোয়াজ্জেম হোসেন গং ১৩ শতাংশ ও হাবিবুর রহমান খানগং ১২ শতাংশের মালিক। এখানে হাবিবুর রহমান খানগং আদালতে রেকর্ড সংধোনীর মামলা দায়ের করেন। চলমান মামলা নং-২৯৫/৯। স্থানীয়ভাবে মিমাংসার জন্য বসা হলেও মাইনুর হোসেন খান ওরফে মালন গংরা তা মানেননি।

ভূক্তভোগী কামারগাঁও এলাকার আব্দুল লতিফ খানের পুত্র রেজাউল করিম খান স্বাধীন জানায়, কয়েকদিন আগে সকালে হঠাৎ করেই নিজস্ব একটি নারিকেল গাছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিঃ নবাবপুর রোড শাখা, ঢাকার নিকট দায়বদ্ধ উল্লেখিত সাইবোর্ডটি আমার গাছে টাঙ্গানো রয়েছে। পরে ওই সাইবোর্ড থাকা মোবাইল নম্বরে (০১৭১৬১১৩৩৯৭) যোগাযোগ করা হলে অপরিচিত এক ব্যক্তি বলেন ওই ঠিকানায় যোগাযোগ করতে।

পরে ঠিকানা অনুযায়ী সরাসরি নবাবপুরে ওই ব্যাংকে গিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করা হলে সাইবোর্ড সাটানোর বিষয়ে তাদের কাছে কোন তথ্য নেই জানান। ভূক্তভোগী স্বাধীন খান আরো বলেন, পরে জানতে পারি প্রতিবেশী মাইনুল হোসেন খান মালন সম্পত্তি দখলের জন্য সাইবোর্ডটি কৌশলে সাটিয়ে রাখেন। এঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি।
এব্যাপরে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিঃ নবাবপুর রোড শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, রহস্যজনক সাইনবোর্ডটির সমন্ধে তারা অবগত নন। তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এধরণের কোন সাইর্বোড ওখানে সাটানো হয়নি। লিখিত আবেদন করা হলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয়ে মাইনুর হোসেন খান ওরফে মালনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দম্ভ করে বলেন, সাইবোর্ডটি আমার সম্পত্তিতে লাগানো হয়েছে। এই জায়গা আমার। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের নামে যে সাইবোর্ডটি সাটানোর হয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানেন না এমন প্রশ্নে জবাবে মালন খান সুদত্তর দিতে পারেননি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।