১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নরসিংদী পলাশে কর্মহীন মানুষের জন্য এক টাকায় ঈদ বাজার!

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: “আমাদের কাছে একটি হাসি মানে একটি সুন্দর পৃথিবী” এই স্লোগানকে সামনে রেখে নরসিংদীর পলাশে করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়-হতদরিদ্র মানুষের জন্য এক টাকায় ঈদ বাজারের আয়োজন করেছে স্কুল-কলেজ পড়–য়া একঝাঁক তরণ। মঙ্গলবার (১১ মে) সাড়ে তিনটার দিকে উদ্দীপ্ত তারণ্য নামক একটি সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে উপজেলার থানা সদর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এক টাকায় ঈদ বাজারের এই কার্যক্রম চালু করা হয়।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র মানুষের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার লক্ষ্যে এক টাকায় ঈদ বাজারের এই আয়োজনে এক টাকার বিনিময়ে একেকটি মানুষকে এক কেজি পোলাওর চাল, এক কেজি তেল, এক কেজি পেঁয়াজ, আলু, সেমাই, চিনি, নুডুলস, দুধ ও সবজিসহ ১১ টি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হয়।

ঈদকে সামনে রেখে ব্যতিক্রম এই উদ্যোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে উদ্দীপ্ত তারণ্য সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শান্ত বলেন, সমাজের অবহেলিত অসহায় মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পড়–য়া একঝাঁক তরণদের নিয়ে প্রায় দেড় বছর আগে গঠিত হয় উদ্দীপ্ত তারণ্য নামক এই সামাজিক সংগঠনটি। সংগঠনটি গঠন করার পর থেকেই সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। বিশেষ করে এই করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সংগঠনের চেষ্টা ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ঈদকে সামনে রেখে সমাজের অসহায়-কর্মহীন মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে ও তাদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এক টাকায় ঈদ বাজারের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।