১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ঢাকা এখন ফাঁকা

গত এক সপ্তাহ ধরে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে নগরবাসীর ব্যস্ততা ছিল কেনাকাটা আর গ্রামে ফেরার ব্যস্ততা। করোনা সংক্রমণের কারণে দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা ছেড়েছে মানুষ। তবে ঈদের আগের দিনে রাজধানী শহরে নেই ব্যস্ততা, নেই কোলাহল। ঢাকার রাস্তা এখন ফাঁকা আর সুনসান নিরবতা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, শাহবাগ, মতিঝিল, বিশ্বরোডসহ বেশকিছু এলাকা ঘুরে ফাঁকা ঢাকাই দেখা গেছে। সড়কে ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। অন্যান্য দিনের তুলনায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, রিক্সা, ব্যক্তিগত পরিবহন কম চলাচল করছে।

সুনসান নিরবতার মধ্যেও পুলিশ, ডাক্তার, গণমাধ্যমকর্মীসহ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বাইরে দেখা গেছে। মগবাজার এলাকায় বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ইসরাত জাহান বলেন, ঈদে ছুটি পাইনি। ন হাসপাতালে ডিউটিতে যাচ্ছি। রাস্তায় আজ যানজট নেই বললেই চলে, খুব সহজেই চলে এলাম।

উত্তরা, গাবতলী ও মহাখালীতে ঘরমুখো কিছু মানুষকে দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে সকালে ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে। গাবতলীতে কথা হয় আফজাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, পাবনা যাবো; তবে সরাসরি গাড়ি পাচ্ছি না। ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।

এদিকে শপিংমলে কিছু সংখ্যক মানুষকে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে। নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা বিউটি বেগম বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয়নি। গেল কয়েকদিনে যা ভিড় ছিল। তাই কেনাকাটাই করতে আসিনি। এখনতো ফাঁকা, তাই প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটা করতে এসেছি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।