১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

সিরাজদিখানে রানার অটোমোবাইলসের মুন্সীগঞ্জ জেলা ডিলারের বর্ষপুর্তি উদযাপিত

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের মুন্সীগঞ্জ জেলার অনুমোদিত একমাত্র ডিলার ব্রাদার্স এন্টারপ্রাইজের বর্ষপুর্তি অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার ১৫মে রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলার বালুচর বাজার ব্রাদার্স এন্টারপ্রাইজে আনন্দ উৎসব মুখর পরিবেশে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের ডিলারের ১বছরপুর্তি অনুষ্ঠান ব্রাদার্স এন্টারপ্রাইজরর প্রোপাইটার হোসাইন মোহাম্মদ ইমান কেক কেটে উদযাপন করেন।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন বাইতুলমাকারাম নিবিড় জুয়েলার্সের প্রোপাইটর আলী হোসেন, সি টাচ ফ্যাশন ডিরেক্টর মোক্তার হোসেন, ব্রাদার্স এন্টারপ্রাইজ এর উপদেষ্টা শাহজাহান সরকার, রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের এরিয়া ম্যানেজার মো: সাহাদাত হোসেন, এন এফ সি ফ্যাশন প্রোপাইটার সৈয়দ হোসেন সহ বালুচর বাজার ব্যবসায়ীগন।

স্থানীয়করণ মোটরসাইকেলের দাম গত চার বছরে গড়ে এক তৃতীয়াংশ কমিয়েছে। রানার অটোমোবাইলস গুলি ঝুঁকি নিয়েছিল, সমস্ত আমদানিকৃত অংশগুলি একত্রিত করার বাইরে গিয়ে একটি মোটরসাইকেল উৎপাদন কেন্দ্র চালু করেছিল, যা দ্বি-চাকা শিল্পের স্থানীয়করণের পথে এগিয়ে যায়।
“বাংলাদেশ যদি বিশ্বের সেরা ক্রিকেট অলরাউন্ডার তৈরি করতে পারে তবে মোটরসাইকেল কেন নয়?”এভাবে রানার অটোমোবাইলসের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খানের উচ্ছ্বসিত স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।