১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আমি এক ফিলিস্তিনি নারীকে ধর্ষণ করেছি- বলা সেই ইসরায়েলি সৈন্য নিহত

কয়েকদিন ধরে চলা সহিংসতায় ফিলিস্তিনে বর্বর হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। জবাবে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে হামাসও।

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিকতম সহিংসতায় ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রথম নিহত হওয়া সৈন্যটি এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে একজন ফিলিস্তিনি নারীকে ধর্ষণ করার বিষয়ে গর্ববোধ করেছিল।

তুর্কি গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, গত বুধবার গাজা উপত্যকার কাছে এক অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ওমর তাবিব (২১) নামে এক ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হয়।

যদিও দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ হামাসকে ওই হামলার জন্য দায়ী করেছে যাতে তাবিব নিহত হয় এবং আরও একজন সৈন্য গুরুতর আহত হয়। আরেকজন অফিসারও হালকা আঘাতপ্রাপ্ত হন।

আইডিএফ তাবিবের মৃত্যুসংবাদ প্রচারের পর নেটিজেনরা তার সম্পর্কে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান শুরু করে। আর তখনই তাবিবের টুইটার একাউন্ট ঘেটে জঘন্য এক তথ্য পাওয়া যায়।

২০১৯ সালের আগস্টের ৮ তারিখে এক টুইটে তাবিব নিজেই গর্ব করে বলেন, আমি এক ফিলস্তিনি নারীকে ধর্ষণ করেছি। তাবিব এবং অন্য ইসরাইলি সেনাদের মাদকাসক্ত এবং শিশু হত্যাকারী বলে জনৈক ফিলিস্তিনপন্থী টুইটার ব্যবহারকারী আক্রমণাত্মক পোস্ট করার পর তাবিব এ মন্তব্য করেছিলেন।

আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই তাবিবের অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার তাবিবকে উত্তর ইসরাইলে তার নিজ শহর ইলিয়াকিমে সমাধিস্থ করা হয় যেখানে মূলত ইয়েমেনি বংশোদ্ভূত ইহুদি অধিবাসীরা থাকেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।