১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

যুবককে মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় হাতে অস্ত্র গুঁজে দিয়ে খালে ফেলে দিয়ে গেল সন্ত্রাসীরা

পটিয়ায় গুরতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার করেছে পটিয়া থানা পুলিশ। এসময় তার পাশ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্রও চাকু উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, সোমবার (১৭মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের বাণীগ্রাম গরুলোটা খালের ব্রীজ এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

এদিকে আহত যুবকের নাম মো. ওসমান হোসেন সানি (২৮)। সে উপজেলার জঙলখাইন ইউনিয়নের আমজুরহাট এলাকার মোহাম্মদ নুরের পুত্র। সানির বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় মামলা রয়েছে।

মূলত স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দ্বন্দ্বের জের ধরে মারধর ও পরবর্তীতে হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করছেন পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার(১৮মে) দুপুরে সানিকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ বর্তমানে সক্রিয়। তারা জায়গা দখল-বেদখল ছাড়াও বেশ কিছুদিন ধরে পটিয়ায় অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা ব্যবসাও সরবরাহ করে আসছেন। সন্ত্রাসীদের দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রায় সময় মারামারির ঘটনাও ঘটে। সোমবার রাতে কোলাগাঁও বাণীগ্রাম এলাকায় সানিকে ডেকে নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন মারধর করে গুরতর আহত ও রক্তাক্ত করে এবং তার হাতে একটি অস্ত্র তুলে ও পাশে একটি চাকু রেখে দেন। খবর পেয়ে কালারপুল পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম সানিকে রাতে উদ্ধার করে পটিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। সানিকে মারধরের পর তার হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে দিয়ে ভাইরাল করেছে।

এব্যাপারে পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার জানান, স্হানীয় দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তবে অস্ত্র সানির হাত থেকে পাওয়া না গেলেও তার পাশ থেকে পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদ শেষে তাকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং প্রকৃত ঘটনা বের করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।