১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নরসিংদীতে পুলিশের হাতে টেঁটা তুলে দিল গ্রামবাসী

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীর করিমপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে পুলিশের হাতে টেঁটা তুলে দেয় গ্রামবাসী।

জানা গেছে, করিমপুর ইউনিয়নের বঘারগত গ্রামে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শাহেদ আহামেদের উপস্থিতিতে টেঁটাযুদ্ধের অবসান এবং দুই পক্ষের সদস্যদের মিলিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের হাতে ২০০-এর বেশি দেশীয় অস্ত্র টেঁটা তুলে দেয় উভয় পক্ষের সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমিনুর রহমান, সদর মডেল থানার ওসি বিপ্লব কুমার দত্ত, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আতাউর রহমানসহ অন্যরা।

উল্লেখ্য, এই গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আগে বিভিন্ন ছোটবড় পক্ষ টেঁটাযুদ্ধ নামক ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষ যাতে পুনরায় আর না হয়, তাই গ্রামের প্রভাশালী বাচ্চু মেম্বার, সানাউল্লাহ, কামাল মেম্বার তাদের মধ্যকার চলমান বিরোধ মীমাংসা করে আপস করিয়ে দেয় পুলিশ।

এ সময় তারা প্রায় ২০০-এর বেশি টেঁটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জমা দেয় এবং অঙ্গীকারনামা দেয় ।

এ বিষয়ে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শাহেদ আহামেদ বলেন, নরসিংদীর এই বিষয়টা আসলে ভিন্ন ধরনের। এরা কেউ পেশাদার অপরাধী না। তারা এখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। বংশগত আধিপত্য বিস্তারেই মাঝেমধ্যে তাদের মধ্যে এ টেঁটাযুদ্ধটা হয়। এখানে যারা নেতৃস্থানীয় তারাসহ গ্রামবাসী সবাই আমাদের কাছে টেঁটা জমা দিয়েছেন। তারা সামনে আর এ ধরনের মারামারি করবে না, বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করবে না। আমরা নিয়মিত তাদের সঙ্গে কথা বলব, যোগাযোগ রাখব। প্রতি সপ্তাহে, প্রয়োজনে প্রতিদিন আমাদের ডিউটি অফিসার যখনই প্রয়োজন আসবেন। চেয়ারম্যান সাহেব যাবেন। আমরা নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করব।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।