১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আজান ও ইকামত ছাড়া সৌদিতে মসজিদের মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

সৌদি আরবে মসজিদে মাইক ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আজান ও ইকামাত ছাড়া মসজিদের মাইক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে সৌদি প্রশাসন।

বিজ্ঞপ্তিতে সৌদি আরবের সব মসজিদে শুধু আজান ও ইকামতের সময় লাউড স্পিকারের ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে এবং এর আওয়াজ এক তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাসুলের (সা.) একটি হাদিসের উপর ভিত্তি করে এই আইনটি চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌদি ইসলামিক বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল শেখ।

হাদিসটি হচ্ছে, নবী করীম (সা.)বলেন, মনে রেখো, তোমরা প্রত্যেকে নিঃশব্দে পালনকর্তাকে ডাকবে।আল্লাহকে ডাকতে গিয়ে একজন অপরজনকে কষ্ট দিবেনা এবং কারো তেলাওয়াত বা প্রার্থনার আওয়াজ যেন অন্যজনের কণ্ঠস্বরের চেয়ে উঁচু না হয়।

শেখ মোহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন ও শেখ সালেহ আল ফাওযানের মতো সিনিয়র ইসলামী স্কলারের ফতোয়ার ভিত্তিতে মাইকের ভলিউম আগের চেয়ে এক তৃতীয়াংশে কমিয়ে দেওয়ার জন্যও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সৌদি আরবের সকল মসজিদে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন দেশটির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল শেখ।

নির্দেশনায় মসজিদের মাইকের ব্যবহার কেবল আজান ও ইকামতের কাজের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। অর্থাৎ আজান ও ইকামতের বাইরে অন্য কোনো কাজে বা প্রয়োজনে মসজিদের মাইক ব্যবহার করা যাবে না।

সূত্র: গালফ নিউজ

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।