১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ইসলাম নিয়ে কটূক্তি: ক্ষমা চাইলেন বরিস জনসন

ইসলাম নিয়ে কটূক্তির দায়ে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা চেয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল দলের এক প্রতিবেদনে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় তিনি অনুতপ্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

খবরে বলা হয়, ২০১৮ সালে টেলিগ্রাফে লেখা এক নিবন্ধে মুসলিম নারীদের বোরকাকে ‘চিঠির বাক্স’ ও ‘ব্যাংক ডাকাতের’ সঙ্গে তুলনা করেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সেই ঘটনায় পার্টির ইসলামফোবিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।

প্রতিবেদনে জনসনের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষসহ বৈষম্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। এজন্য ওই কটূক্তির দায়ে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা চেয়েছেন বরিস জনসন।

দলীয় প্রতিবেদনে জনসন বলেন, আমি যা বলেছি, তাতে যে অপরাধ হয়েছে-তা আমি জানি। আমার অবস্থানে থাকা একজন মানুষ সঠিক কাজটি করবে বলেই মানুষের প্রত্যাশা। কিন্তু সাংবাদিকতায় একজন মানুষকে অনেক স্বাধীনভাবে ভাষার ব্যবহার করতে হয়। কাজেই কোনো অপরাধ হয়ে থাকলে আমি দুঃখিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈষম্য ও অভিযোগ মোকাবেলা করতে যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টি যেসব পদক্ষেপ নেয় তার সমালোচনার জবাবে ওই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রস্তুত করেছেন যুক্তরাজ্যের সমতা ও মানবাধিকার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক স্মরণ সিং। এতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বরিস জনসন।

২০১৬ লন্ডনের মেয়র নির্বাচনের সময় সাদিক খানের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থীদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী জ্যাক গোল্ডস্মিত। তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন জনসন।

এর ফলে অনেকের মনে এই ধারণা তৈরি হয়েছিল যে, টরি দল এবং তার নেতৃত্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংবেদনশীল।

তদন্তে দেখা গেছে, স্থানীয় দলীয় সমিতি ও স্বতন্ত্র পর্যায়ে মুসলিমবিরোধী মনোভাব দেখা গেছে কিন্তু অভিযোগগুলো যেভাবে পরিচালিত হয়েছে তার প্রমাণ দিয়ে ‘প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ’ বলে দাবি করা হয়নি। তবে এটি স্বীকার করেছে যে, টরি পার্টির মধ্যে ‘মুসলিম বিরোধী মনোভাব একটি সমস্যা হিসাবে রয়ে গেছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।