১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ইয়াসের পর আসছে পাকিস্তানি ‘গুলাব’

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ শক্তিহীন হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে, পিছনে রেখে যাচ্ছে তাণ্ডবের ক্ষয় চিহ্ন।ঠিক তখনই শুরু হলো আরেকটি ঝড়ের প্রহর গোনা। ইয়াসের পর ধেয়ে আসবে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’।

ভারত মহাসাগর, আরব সাগর কিংবা বঙ্গোপসাগরে জন্ম নেবে এই ঘূর্ণিঝড়। সমুদ্র অশান্ত হবে। ফুঁসবে। বিশাল বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়বে।

অবশ্য এটা এখনো নিশ্চিত না যে, ঘূর্ণিঝড় গুলাব বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে কোন দেশে আছড়ে পড়বে। এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পরবর্তী ঘূর্ণিঝড় গুলাব কোন সাগরে জন্ম নেবে অথবা কোন দেশের ওপরে আছড়ে পড়বে এখনই বলা বা অনুমান করা যাচ্ছে না।

অবশ্য নিয়ম অনুসারে একটি ঘূর্ণিঝড় শেষ হতেই পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়ে থাকে। সেই হিসেবেই ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ল্যান্ডফল করতেই পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়ে হয়েছে। এই নামকরণ করেছে পাকিস্তান। উর্দু, পার্সি ও হিন্দিতে গুলাব শব্দের অর্থ গোলাপ।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কেন্দ্র ছিল ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকা। আন্দামান সাগর, বঙ্গোপসাগর ও মার্তাবান উপসাগরীয় এলাকা থেকে ইয়াস মুখ ঘোরায় ভারতীয় উপকেূলের দিকে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ভারত ও বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়বে বলে প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সেটি গতিপথ পরিবর্তন করে তা ভারতের ওডিশা উপকূলেই আঘাত হানে। এখন দেখার বিষয়, আগামীতে ‘গোলাপ ঝড়’ কোন দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে বেছে নেয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।