১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

শ্রীনগরে খাল বিলে অবৈধজালে মা মাছ ও পোনা নিধন!

মোহন মোড়ল,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয়ে জোয়ারের পানি আসতে শুরু করেছে। নতুন পানির সাথে বিভিন্ন জাতের মা মাছ ও পোনার আগমন ঘটছে। অপরদিকে অসাধু ব্যক্তিরা এসব মা মাছ ও পোনা নিধন করতে ব্যবহার করছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দোয়াইরসহ অন্যান্য সব নিষিদ্ধ জাল। এমনটাই লক্ষ্য করা গেছে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন খাল ও জলাশয়ে। মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন ১৯৫০’র বিধি-৭ অনুযায়ী বছরের ১লা এপ্রিল থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শোল, টাকি, গজারসহ অন্যান্য মাছের পোনা ও মা মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেল জরিমানার বিধান থাকলেও অনেকেই আইন মানেন না।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় প্রায় খালে ও বিলে এখন জোয়ারের পানি দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেকেই মা মাছ ও পোনা নিধনের জন্য খাল ও জলাশয়গুলো বিভিন্নভাবে অবৈধ জাল দিয়ে রাখা হয়েছে। এসব নিষিদ্ধ জালে মা মাছ ও পোনা অবাদে নিধন করা হচ্ছে। এছাড়াও লক্ষ্য করা গেছে, উপজেলার বেশ কয়েকটি খালের কালভার্ট ও সেতুর মুখে এখনই অবৈধ ভেসাল স্থাপনের প্রস্তুুতি নিচ্ছে অসাধু জেলেরা। দেখা গেছে, ভেসাল জাল পাতার জন্য বাঁশ পোতা হচ্ছে। আরো দেখা যায়, প্রায় বিল ও শাখা খালগুলোতে পানি প্রবাহমান রয়েছে। অল্প পানিতে বাঁশের তৈরী চাই, ছোট খোপের কারেন্ট জাল, চায়না দোয়াইর, ছোট জালি ও টেঁটা দিয়ে মা মাছ ও পোনা নিধন করা হচ্ছে।

জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে এসব পোনা মাছ নিধন না করার জন্য বলা হলেও অনেকেই আইন ভঙ্গ করছেন। জানা গেছে, উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গত কয়েকদিন আগে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে জাল পাতার অপরাধে বেশ কিছু অবৈধ জাল আটক করেন। পরে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন।
স্থানীয়ভাবে মাছ শিকারীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, মৎস্য আইন সমন্ধে তাদের কিছুটা ধারনা থাকলেও বেশীর ভাগ মানুষের মধ্যেই এখনও এবিষয়ে জনসচেতনতার অভাব রয়েছে।

এব্যাপরে শ্রীনগর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সমীর কুমার বসাক জানান, এখানকার খালে বিলে জোয়ারের পানি সবেমাত্র আসতে শুরু করছে। মা মাছ ও পোনা রক্ষায় খুব শীঘ্রই উপজেলায় মাইকিং ও প্রচার প্রচারণা শুরু হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করার লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।