১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আর্জেন্টিনা থেকে এবার ব্রাজিলে সরে গেল কোপা আমেরিকা

আর্জেন্টিনায় নয়, এবারের কোপা আমেরিকা হবে ব্রাজিলে। কনমেবল এক সভার পর জানিয়েছে এই সিদ্ধান্ত। টুর্নামেন্ট শুরুর ও শেষের তারিখ একই আছে, ভেন্যু ও ম্যাচের তারিখ জানানো হবে পরে।

আর্জেন্টিনার করোনা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতির কারণে টুর্নামেন্টটি আর্জেন্টিনায় না করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আমেরিকা ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

সোমবার (৩১ মে) এক বিবৃতিতে কোপা আমেরিকা এবারের আসর ব্রাজিলে আয়োজন করার ঘোষণা দেয় কনমেবল। কোপা আমেরিকার এবার আসর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ১৩ জুন। তবে মাত্র ১৩ দিন আগে আয়োজক দেশ পরিবর্তন হওয়ায় কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে এবারের আসরের সময়সূচি। এ বিষয়ে সোমবার বিস্তারিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিবে কনমেবল।

ব্রাজিলে ৬ষ্ঠ বারের মত বসতে যাচ্ছে কোপা আমেরিকার আসর। এর আগে সর্বশেষ ২০১৯ সালে ব্রাজিলে কোপা আমেরিকা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন তাদের ঘরোয়া ফুটবল লিগ স্থগিত ঘোষণা করায় কনমেবল এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত আর্জেন্টিনা। এ অবস্থায় কোপা আমেরিকা আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

মূলত আর্জেন্টিনা এবং কলম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে ২০২০ সালে কোপা আমেরিকা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে কলম্বিয়ার সামাজিক পরিবেশ বেশ খারাপ হওয়ায় সেখান থেকে সরিয়ে আর্জেন্টিনাকে আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সেখান থেকেও এবার আয়োজন সরিয়ে আনতে বাধ্য হলো কনমেবল।

কোপা আমেরিকার এ আসর আয়োজিত হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা এক বছর পিছিয়ে দিয়ে ২০২১ সালে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। আর এবারই প্রথমবার যৌথ আয়োজনে কোপা আমেরিকা আয়োজিত হওয়ার কথা ছিল।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।