১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আফগানিস্তান ছাড়ার আগে সাজ-সরঞ্জাম ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র

তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী আফগানিস্তান থেকে চলে যাচ্ছে মার্কিন সেনারা। এমনকি প্রক্রিয়াটি নাকি দ্রুত গতিতেই সম্পন্ন হচ্ছে। সামরিক পরিকল্পনাকারীদের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, ইতোমধ্যে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় অর্ধেক সেনা চলে গেছে।

দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে অবস্থান করছিল মার্কিন সেনারা। এই সময়ে তারা যেসব সাজ-সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে, সেগুলোর কিছু অংশ দেশে পাঠানোর পাশাপাশি বাকিগুলো নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে। খোদ মার্কিন গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা এ খবর দিয়েছে।

মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, আফগানিস্তান থেকে ৩০-৪৪ শতাংশ সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে ৬টি স্থাপনা হস্তান্তর করা হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরো বেশ কিছু ঘাঁটি হস্তান্তর করা হবে।

সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আফগান জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী তাদের দেশকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে আমরা এমন আরো কিছু ঘাঁটি এবং সামরিক সম্পদ তাদের কাছে হস্তান্তর করতে পারব, সেগুলো তাদের কাজে সাহায্য করতে পারে।

হালনাগাদ তথ্যের বরাত দিয়ে ভয়েস অব আমেরিকা বলছে, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সি-১৭ মডেলের ৩০০টি বিমানের সমান জিনিসপত্র সরাতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া ১৩ হাজার সাজ-সরঞ্জাম নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত সপ্তাহে সেন্টকম জানায়, সেনা প্রত্যাহারের প্রায় ২৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। তবে মার্কিন আইন প্রণেতাদের সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন যে, সেনা প্রত্যাহারের গতি ত্বরান্বিত করা হয়েছে।

এদিকে, বার্তা সংস্থা এএফপি আফগান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আগামী ২০ দিনের মধ্যে বাগরাম বিমানঘাঁটি আফগান সরকারের কাছে হস্তান্তর করবে মার্কিন বাহিনী।

তবে এ বিষয়ে কোনো রকম সময়সীমা নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানান পেন্টগনের প্রেস সচিব জন কিরবি। মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বাগরাম বিমানঘাঁটি যে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে সেটা নিশ্চিত।

-২৪ লাইভ নিউজ।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।