১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

শরীয়তপুরে মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপে জনদুর্ভোগ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে শরীয়তপুর পৌরসভার পশ্চিম কোটাপাড়া মোড় এলাকায় দীঘদিন ধরে বর্জ্য ফেলে আসছিল শরীয়তপুর পৌরসভা। এতে পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলে আসলেও কিছু দিন পূর্বে পূর্বকোটাপাড়া ডোমঘর (লাশ কাটার ঘর) এলাকায় বর্জ ফেলা শুরু করলেও এখানে ময়লার দুগদ্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা- শরীয়তপুরের মহাসড়কের পাশে শরীয়তপুর পৌরসভার পশ্চিম কোটাপাড়া মোড়ে এলাকায় আবর্জনা স্তুূপ করে রাখা আছে। বর্তমানে পশ্চিম কোটাপাড়া মোড় এলাকায় ময়লা আবর্জনা না ফেলেও পূর্বেও রাখা ময়লা আবর্জনার দুঘন্ধে ভুগছে পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার লোকজন ময়লা আবর্জনা সরিয়ে নেয়ার জন্য বারবার পৌরসভার লোকজনকে জানালে একনো তারা তা সরায়নি। পৌরসভার এখন পূর্বকোটাপাড়া ডোমঘর (লাশ কাটার ঘর) এলাকায় পৌরসভার গাড়ী দিয়ে বর্জ্য ফেলছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন পৌরসভার শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে কমপক্ষে ২/৩টি গাড়ীর মাধ্যমে এনে বর্জ্য এখানে ফেলা হয়। দুগন্ধে এর আশে পাশে লোকজন বসবাস করতে পারছেন না। এখানে পরিবেশ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না করেই আবার নতুর কওে পূর্বকোটাপাড়া ডোমঘর (লাশ কাটার ঘর) বর্জ আবর্জনা ফেলে যাচ্ছে।

শরীয়তপুর মারকাযুল উরুম মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ ইদরীস কাসেমী জানান, আবর্জনার দুর্গন্ধে মাদ্রাসায় বসে থাকা যায় না। আমার মাদ্রাসায় ৫ শত ছাত্রছাত্রী আছে, এ ময়লা ও দুর্গন্ধে বসে থাকা যায় না। অকেব বলার পরে ময়লা এখন না ফেলেও পুরানত ময়লার দুর্গন্ধে ক্লাস করা যায় না।

মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ না করার বিষয়ে পৌরবাসী অনেকদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছে। পৌরসভার বয়স দেড় যুগেরও বেশি। এ সময়ে দাঁড়িয়ে আমাদের ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, ময়লা দুর্গন্ধে আমার দোকানের কর্মচারী চলে গেছে। আমরা স্বাস্থ্য ঝুকি নিয়ে আমরা ব্যবসা করি।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, ঢাকা-শরীয়তপুর শরীয়তপুর মহাসড়কের পাশের্^ যে ময়লা আছে। ২ বছরেরও দুর্গন্ধে যাবে না।
শরীয়তপুর পৌরসভার সচিব মো: এনামূল হক জানান, ময়লা ফেলার জন্য পৌরসভার কোনও জায়গা নেই। আগে মহাসড়কের পাশে^ ফেলেও এখন আমরা পূর্বকোটাপাড়া ডোমঘর (লাশ কাটার ঘর) পাশে কীর্তিনাশা নদীতে ফালায়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।