১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

সিরাজদিখানে গরম পানি ঢেলে সংখ্যালঘু পরিবকারকে অমানবিক নির্যাতন, থানায় অভিযোগ

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে গরম পানি ঢেলে সংখ্যালঘু পরিবারের মা ও ছেলেকে অমানবিক নির্যাতনে লিটন চন্দ্র দেবনাথ (৩৫) গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। সিরাজদিখান উপজেলার বয়রাগাদী ইউনিয়নের ছোট পাউলদিয়া গ্রামের হায়দার আলী তালুকদারের ছেলে আক্তার তালুকদার (৪৫) তুচ্ছ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার ৪জুন সকালে লিটন চন্দ্র দেবনাথের পিঠে ,হাতে কোমড়ে ও চোখে লাঠিপেটাসহ গরম পানি ঢেলে দিয়েছে বলে তার অভিযোগ। লিটন চন্দ্র দেবনাথ উপজেলার বয়রাগাদী ইউনিয়নের ছোট পাউলদিয়া গ্রামের মৃত রাম চন্দ্র দেবনাথের ছেলে।

শুক্রবার ৪জুন সাড়ে ৮টার দিকে বয়রাগাদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হাবিবুর রহমান সোহাগের সহায়তায় ও পরামর্শে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আহত লিটন চন্দ্র দেবনাথকে ভর্তি করে দেন তার খালা। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, লিটন চন্দ্র দেবনাথ ও তার মা সুমতি রানী দেবনাথের শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে থানায় অভিযোগ করতে আসলে সিরাজদিখান থানা পুলিশ সংখ্যালঘু পরিবারের উপর নির্যাতনের বর্ণনা শুনেছে।

থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দিনের মত শুক্রবার সকালেও আক্তার ও তার সহযোগী লিটন চন্দ্র দেনাথের মায়ের সাথে হাসি ঠাট্টা করে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঝগড়া শুরু করে। এর পর বিএনপি নেতা আক্তার তালুকদার ও তার দুই ভাই মোঃ এরশাদ তালুকদার ও মোঃ আইয়ুব তালুকদার বয়রাগাদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে অতর্কিত হামলা করে গরম পানি ঢেলে এলাপাথারি ভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকলে তাদেও ডাক চিৎকাওে এরাকার লোকজন আগাইয়া আসলে আক্তার তালুকদার তাদেও পরিবারকে প্রানে মেওে ফেলার হুমকি দিয়ে পারিয়ে যায়। লিটন চন্দ্র দেবনাথ জানায়, আমরা সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার হওয়ায় বিএনপি নেতা আক্তার তালুকদার প্রায়ই আমাদেও বাড়ি এসে বিভিন্ন টিটকারী মূলক কথা বলো। আর কয়েক মাসের মধ্যে আমাদেও বাড়ি দখল করবে বলে জানায়। কিছু কথার উত্তর দিলে অনেক সময় তার হাত ও পা বেঁধে মারধোর করত। তাকে বাড়িতে যেতে দিত না। এমনকি এলাকার বাইরেও যেতে দিত না। চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চাইলে সহজে মিটমাট কওে দিতো। আজ আমার মাকে খারাপ ভাষায় গালি দেওয়াতে প্রতিবাদ করাতে আমার মা ও আমাকে গরম পানি ঢেলে মেওে ফেলতে চেয়েছে। আমারা এর বিচার চাই। তাই সিরাজদিকান থানায় অভিযোগ করেছি।

সিরাজদিখান থানার এসআই সেকান্দার আলী জানান, লিটন চন্দ্র দেবনাথ থানায় অভিযোগ দিতে আসলে শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পায়। ওসির সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।