১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ঝিনাইদহে প্রেমের টানে ভাতিজীকে নিয়ে চাচা উধাও

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে অনিক হোসেন (১৮) নামে এক যুবক তার এক চাচাতো ভায়ের মেয়ে অনামিকা (১৫) কে প্রেমের টানে উধাও হয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে ঐ গ্রামের সমস্ত এলাকা জুড়ে সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

অনিক হোসেন উপজেলার ২ নং জোড়াদহ ইউনিয়নের বেলতলা গ্রামের মোঃ মন্টু মন্ডলের ছেলে। অন্যদিকে তরুনী মোছাঃ অনামিকা একই গ্রামের মোঃ আলমগীর হোসেনের মেয়ে। সম্পর্কে তারা চাচা ভাতিজী। দীর্ঘদিন ধরে অনিক ঐ মেয়েটিকে ঘরোয়া পরিবেশে প্রাইভেট পড়িয়ে আসছেন। সেই সুত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের মাঝে। গত ৩০ মে রবিবার আনুমানিক বেলা ৩ টার দিকে সব বাঁধা বিপত্তিকে আড়াল করতে অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি দেয় তারা।এ ঘটনায় এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ভাতিজীকে প্রাইভেট পড়াতো চাচা অনিক।

নিজের মেয়ের মতো মনে করেই পড়াতো ভাতিজীকে। কিন্তু এমন কুবুদ্ধি মনে আসবে হয়তো তাদের পরিবারের লোকজন কেউ বুঝতে পারিনি।অনিকের বাবা মন্টু মিয়া জানায়, ওই ছেলেতে মানসম্মান সব নষ্ট করে দিয়েছে আমার। গ্রামে আমার মূখ দেখানোর কোনো পরিবেশ নেই। তিনি বলেন, আত্মীয় স্বজন সহ বিভিন্ন এলাকায় খুঁজাখুঁজি করা হচ্ছে, এছাড়াও এলাকায় বসে আমরা একটা সমাধানের চেষ্টা করছি।অন্যদিকে অনামিকার বাবা আলমগীর হোসেন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ঢাকাতে থাকি। অনিকের কাছে বিশ্বাস করে আমার মেয়েকে পড়াতে দিয়েছিলাম। হঠাৎ করে মেয়ের কি বুদ্ধি হলো যে, চাচার সাথে কি ভাবে উধাও হয়ে যেতে হল। মেয়ে যখন যা চেয়েছে তাই আমি দিয়েছি কোনো আব্দার না করিনি।

তিনি বলেন, সেই মেয়ে আমার মুখে এমন চুনকালি দেবে কখনোই ভাবিনি। এ বিষয়ে জোড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হুদা পলাশ মুঠোফোনে জানায়, বিষয়টা আমি শুনেছি, মেয়ে এবং ছেলের পরিবার তাদের কে খুঁজাখুঁজি করছে।জোড়াদহ ক্যাম্পের পুলিশ আই সি সাইফুল ইসলাম জানায়, মেয়ের পক্ষ থেকে থানায় একটা অভিযোগ এসেছে বিষয় টা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।