১৫, জুলাই, ২০২৪, সোমবার
     

৪১তম বিসিএসে পররাষ্ট্র,পুলিশ ও প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম হওয়ার গল্প

ক্রাইমভিশন ডেস্ক:
রবিউল আলম লুইপা:
৪১তম বিসিএসে পররাষ্ট্র, পুলিশ ও প্রশাসন ক্যাডারে মেধাতালিকায় প্রথম হওয়া তিন মেধাবি বলেছেন সেরা হওয়ার পেছনের গল্প। ভবিষ্যতে যারা বিসিএস ক্যাডার হতে চান, এই গল্প নিশ্চয় তাদের অনুপ্রাণিত করবে।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসাইন জানান কিভাবে তিনি পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হলেন।

তিনি বলেন, ‘লাখো শিক্ষার্থীর আরাধ্য সেই বিসিএস জয়ের গল্প বলতে বলা হলে আসলে ভাষা হারিয়ে ফেলি। প্রস্তুতিতে কোনো ফাঁকফোকর রাখা চলবে না, হাতের লেখা অস্পষ্ট হওয়া এখানে শুরুতে ঝরে পড়ার সমান। নিজের ভেতর লুক্কায়িত বিশ্লেষণী দক্ষতাকে জাগ্রত করার এটাই মোক্ষম স্থান। অহেতুক মুখস্থনির্ভর ডাটা ও ম্যাপ আঁকার পেছনে কেবল বোকারাই ছোটে।

বুদ্ধিমান প্রার্থীরা ভাইভার পূর্বে সেশন করবে, নিজের বাচনভঙ্গি পছন্দনীয় করে তুলবে। চোখে চোখ রেখে হ্যাঁ বা না বলার মধ্যে যে যথার্থতা, তা তারা আয়ত্তে আনবে। কী বলছি তা নয়, বরং কিভাবে বলছি তা যেন স্পষ্টবাদী হিসেবে প্রতীয়মান করে তোলে। গণিত, বিজ্ঞান, মেন্টাল এবিলিটি, ইংরেজি হলো বিসিএস জয় করার ট্রাম্পকার্ড।

এ ছাড়া বাংলা রচনা, ইংরেজি রচনা, অনুবাদ, ব্যাকরণের ৩০ নম্বর এই বিষয়গুলোও লিখিত পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থীকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দিতে পারে। এর জন্য নিয়মিত অনুশীলন জরুরি। সাধারণ জ্ঞানে বেশির ভাগ মুখস্থ ডাটানির্ভর লেখা লিখতে চায়। এটা না করে প্রশ্ন যা জানতে চাওয়া হয়েছে তা যদি টু দ্য পয়েন্টে প্যারা আকারে লেখা যায়, সেটার গ্রহণযোগ্যতা কয়েক গুণ বেড়ে যায় বলে আমার ধারণা।

সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কোটেশন যুক্ত করা যায়। পয়েন্টগুলো নীল কালি দিয়ে লিখে তার নিচে পেন্সিল দিয়ে হাইলাইট করে দিলে ভালো। এক পৃষ্ঠায় অনেক লেখা না লিখে দুই লাইনের মাঝে কিছুটা ফাঁকা স্থান রেখে লেখা পরিষ্কার রাখতে হবে। আবার এক পৃষ্ঠায় খুব কম লেখাটাও দৃষ্টিকটু দেখায়। লিখিত পরীক্ষায় এই ব্যাপারগুলো মাথায় রাখতে হবে।

ভাইভায় নিজের পঠিত বিষয়ের ওপর ভালো ধারণা নিয়ে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানের ওপর বিশদ পড়াশোনা করতে হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দের ক্যাডারের বেসিক ধারণা রাখতে হবে। সমসাময়িক বিশ্ব ও বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি নিয়ে গভীর জানাশোনা থাকতে হবে। ভাইভাতে প্রার্থীকে বাস্তবিক পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, এ জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে। একই বিষয় একেকজন একেকভাবে পড়ে, ভিন্ন ভিন্নভাবে মনে রাখে। সে কারণেই অন্যকে অন্ধ অনুকরণ না করে নিজের সক্ষমতা জেনে সে অনুসারে পরিকল্পনা সাজাতে হবে।’

জাহিদ হাসান জানান কিভাবে তিনি পুলিশ ক্যাডারে প্রথম হলেন-

তিনি বলেন, ‘পড়াশোনার কৌশল বাস্তবিক অর্থে একান্তই নিজের ঠিক করতে হয়। প্রস্তুতির শুরুতেই বিসিএস সিলেবাস বিশ্লেষণ করে নিজের দুর্বল আর শক্তিশালী দিকগুলো চিহ্নিত করি। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়ায় বিসিএসে বিজ্ঞান আর গাণিতিক দিকে বেশি সময় দিতে হয়নি। তবে বেশি মনোযোগ দিয়েছি বাংলা, সাহিত্য, বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ইত্যাদি বিষয়ে। আমি যখন কোনো টপিক পড়তে শুরু করতাম, তা কেবল বিসিএস পরীক্ষায় আসবে এই ভেবেই পড়তাম তা না, জানার আগ্রহ নিয়েই পড়তাম। পাশাপাশি সেই একই টপিকের ওপর বিভিন্ন সোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নোট রাখতাম। প্রস্তুতির প্রথম দিকে প্রিলিমিনারিকেন্দ্রিক পড়াশোনাই করেছি। পরবর্তী সময়ে লিখিত ও ভাইভার জন্যও একইভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি।

প্রতিদিনের পড়া শেষ করে পরের দিন কী পড়ব আর কতটুকু পড়ব ঠিক করে রাখতাম। কতক্ষণ পড়ব, তা মুখ্য বিষয় ছিল না। কখনো আট ঘণ্টা, কখনো ১০-১২ ঘণ্টা। টপিক ধরে পড়ার কৌশলই আমাকে সিলেবাস সুন্দরভাবে শেষ করতে সাহায্য করেছে। বিসিএসের সিলেবাস ধরে ধরে নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনা করতাম। বিসিএস যেহেতু একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, এখানে ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। আমি তৃতীয় বর্ষ থেকেই নিয়মিত বিসিএসের পড়াশোনা করেছি। পড়াশোনার আগেই যে বিষয়টি প্রয়োজন, তা হচ্ছে কী কী পড়ব আর কী কী বাদ দেব। আর এর জন্য সহায়ক হতে পারে বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ। বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করেছি সব সময়। নিজেকে আপডেট রাখার চেষ্টা করতাম, যা লিখিত পরীক্ষায় কাজে দিয়েছে। একাডেমিক পড়া আর বিসিএসের পড়ার মাঝে ভারসাম্য করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আইবিএতে থাকাকালে আমার বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি চাকরি হয়, কিন্তু কোথাও যোগ না দিয়ে বিসিএসের পড়াশোনা চালিয়ে গেছি। ৪০তম বিসিএসে সমবায় ক্যাডারে যোগ দিয়েছিলাম।

প্রিলির প্রস্তুতির সময় ট্রপিক সম্পর্কিত তথ্য নোট করে পড়লে পরবর্তী সময়ে লিখিত ও ভাইভার সময় খুব কাজে লাগবে।’

চাকরির পাশাপাশি প্রস্তুতি নিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে কিভাবে প্রথম হলেন সেই রহস্য জানালেন নাঈমুর রহমান-

তিনি বলেন, ‘বিবিএ ও এমবিএ করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ থেকে। স্নাতকের শেষ বর্ষের পরীক্ষা দেওয়ার পর শুরু করি বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির প্রস্তুতি। ২০১৯ সালে সরকারি উন্নয়ন সংস্থায় যোগ দিই। সেখানে আমি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে কর্মরত। চাকরির পাশাপাশি বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। দিনে চাকরি করে রাতে বাসায় গিয়ে পড়েছি। প্রথম দিকে পড়তে কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নিয়েছি। যতটুকু সময় পেতাম, তা সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। ৪১তম বিসিএস ছিল জীবনের তৃতীয় বিসিএস পরীক্ষা। এর আগে ৩৮তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে নবম গ্রেডে সহকারী পরিচালক পদে চাকরি পেয়েছিলাম। ৪০তম বিসিএসে প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েও অসুস্থতার কারণে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারিনি। সব শেষে ৪১তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম হলাম।রবিউল আলম লুইপা: ৪১তম বিসিএসে পররাষ্ট্র, পুলিশ ও প্রশাসন ক্যাডারে মেধাতালিকায় প্রথম হওয়া তিন মেধাবি বলেছেন সেরা হওয়ার পেছনের গল্প। ভবিষ্যতে যারা বিসিএস ক্যাডার হতে চান, এই গল্প নিশ্চয় তাদের অনুপ্রাণিত করবে।

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসাইন জানান কিভাবে তিনি পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হলেন-

তিনি বলেন, ‘লাখো শিক্ষার্থীর আরাধ্য সেই বিসিএস জয়ের গল্প বলতে বলা হলে আসলে ভাষা হারিয়ে ফেলি। প্রস্তুতিতে কোনো ফাঁকফোকর রাখা চলবে না, হাতের লেখা অস্পষ্ট হওয়া এখানে শুরুতে ঝরে পড়ার সমান। নিজের ভেতর লুক্কায়িত বিশ্লেষণী দক্ষতাকে জাগ্রত করার এটাই মোক্ষম স্থান। অহেতুক মুখস্থনির্ভর ডাটা ও ম্যাপ আঁকার পেছনে কেবল বোকারাই ছোটে।

বুদ্ধিমান প্রার্থীরা ভাইভার পূর্বে সেশন করবে, নিজের বাচনভঙ্গি পছন্দনীয় করে তুলবে। চোখে চোখ রেখে হ্যাঁ বা না বলার মধ্যে যে যথার্থতা, তা তারা আয়ত্তে আনবে। কী বলছি তা নয়, বরং কিভাবে বলছি তা যেন স্পষ্টবাদী হিসেবে প্রতীয়মান করে তোলে। গণিত, বিজ্ঞান, মেন্টাল এবিলিটি, ইংরেজি হলো বিসিএস জয় করার ট্রাম্পকার্ড।

এ ছাড়া বাংলা রচনা, ইংরেজি রচনা, অনুবাদ, ব্যাকরণের ৩০ নম্বর এই বিষয়গুলোও লিখিত পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থীকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দিতে পারে। এর জন্য নিয়মিত অনুশীলন জরুরি। সাধারণ জ্ঞানে বেশির ভাগ মুখস্থ ডাটানির্ভর লেখা লিখতে চায়। এটা না করে প্রশ্ন যা জানতে চাওয়া হয়েছে তা যদি টু দ্য পয়েন্টে প্যারা আকারে লেখা যায়, সেটার গ্রহণযোগ্যতা কয়েক গুণ বেড়ে যায় বলে আমার ধারণা।

সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কোটেশন যুক্ত করা যায়। পয়েন্টগুলো নীল কালি দিয়ে লিখে তার নিচে পেন্সিল দিয়ে হাইলাইট করে দিলে ভালো। এক পৃষ্ঠায় অনেক লেখা না লিখে দুই লাইনের মাঝে কিছুটা ফাঁকা স্থান রেখে লেখা পরিষ্কার রাখতে হবে। আবার এক পৃষ্ঠায় খুব কম লেখাটাও দৃষ্টিকটু দেখায়। লিখিত পরীক্ষায় এই ব্যাপারগুলো মাথায় রাখতে হবে।

ভাইভায় নিজের পঠিত বিষয়ের ওপর ভালো ধারণা নিয়ে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানের ওপর বিশদ পড়াশোনা করতে হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দের ক্যাডারের বেসিক ধারণা রাখতে হবে। সমসাময়িক বিশ্ব ও বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি নিয়ে গভীর জানাশোনা থাকতে হবে। ভাইভাতে প্রার্থীকে বাস্তবিক পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, এ জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে। একই বিষয় একেকজন একেকভাবে পড়ে, ভিন্ন ভিন্নভাবে মনে রাখে। সে কারণেই অন্যকে অন্ধ অনুকরণ না করে নিজের সক্ষমতা জেনে সে অনুসারে পরিকল্পনা সাজাতে হবে।’

জাহিদ হাসান জানান কিভাবে তিনি পুলিশ ক্যাডারে প্রথম হলেন-

তিনি বলেন, ‘পড়াশোনার কৌশল বাস্তবিক অর্থে একান্তই নিজের ঠিক করতে হয়। প্রস্তুতির শুরুতেই বিসিএস সিলেবাস বিশ্লেষণ করে নিজের দুর্বল আর শক্তিশালী দিকগুলো চিহ্নিত করি। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়ায় বিসিএসে বিজ্ঞান আর গাণিতিক দিকে বেশি সময় দিতে হয়নি। তবে বেশি মনোযোগ দিয়েছি বাংলা, সাহিত্য, বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ইত্যাদি বিষয়ে। আমি যখন কোনো টপিক পড়তে শুরু করতাম, তা কেবল বিসিএস পরীক্ষায় আসবে এই ভেবেই পড়তাম তা না, জানার আগ্রহ নিয়েই পড়তাম। পাশাপাশি সেই একই টপিকের ওপর বিভিন্ন সোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নোট রাখতাম। প্রস্তুতির প্রথম দিকে প্রিলিমিনারিকেন্দ্রিক পড়াশোনাই করেছি। পরবর্তী সময়ে লিখিত ও ভাইভার জন্যও একইভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি।

প্রতিদিনের পড়া শেষ করে পরের দিন কী পড়ব আর কতটুকু পড়ব ঠিক করে রাখতাম। কতক্ষণ পড়ব, তা মুখ্য বিষয় ছিল না। কখনো আট ঘণ্টা, কখনো ১০-১২ ঘণ্টা। টপিক ধরে পড়ার কৌশলই আমাকে সিলেবাস সুন্দরভাবে শেষ করতে সাহায্য করেছে। বিসিএসের সিলেবাস ধরে ধরে নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনা করতাম। বিসিএস যেহেতু একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, এখানে ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। আমি তৃতীয় বর্ষ থেকেই নিয়মিত বিসিএসের পড়াশোনা করেছি। পড়াশোনার আগেই যে বিষয়টি প্রয়োজন, তা হচ্ছে কী কী পড়ব আর কী কী বাদ দেব। আর এর জন্য সহায়ক হতে পারে বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ। বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করেছি সব সময়। নিজেকে আপডেট রাখার চেষ্টা করতাম, যা লিখিত পরীক্ষায় কাজে দিয়েছে। একাডেমিক পড়া আর বিসিএসের পড়ার মাঝে ভারসাম্য করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আইবিএতে থাকাকালে আমার বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি চাকরি হয়, কিন্তু কোথাও যোগ না দিয়ে বিসিএসের পড়াশোনা চালিয়ে গেছি। ৪০তম বিসিএসে সমবায় ক্যাডারে যোগ দিয়েছিলাম।

প্রিলির প্রস্তুতির সময় টপিক সম্পর্কিত তথ্য নোট করে পড়লে পরবর্তী সময়ে লিখিত ও ভাইভার সময় খুব কাজে লাগবে।’

চাকরির পাশাপাশি প্রস্তুতি নিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে কিভাবে প্রথম হলেন সেই রহস্য জানালেন নাঈমুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘বিবিএ ও এমবিএ করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ থেকে। স্নাতকের শেষ বর্ষের পরীক্ষা দেওয়ার পর শুরু করি বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির প্রস্তুতি। ২০১৯ সালে সরকারি উন্নয়ন সংস্থায় যোগ দিই। সেখানে আমি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে কর্মরত। চাকরির পাশাপাশি বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। দিনে চাকরি করে রাতে বাসায় গিয়ে পড়েছি। প্রথম দিকে পড়তে কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নিয়েছি। যতটুকু সময় পেতাম, তা সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। ৪১তম বিসিএস ছিল জীবনের তৃতীয় বিসিএস পরীক্ষা। এর আগে ৩৮তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে নবম গ্রেডে সহকারী পরিচালক পদে চাকরি পেয়েছিলাম। ৪০তম বিসিএসে প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েও অসুস্থতার কারণে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারিনি। সব শেষে ৪১তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম হলাম।

               

সর্বশেষ নিউজ