২০, অক্টোবর, ২০২০, মঙ্গলবার

ঈদে কাউকে কোরবানি দিতে দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি বিজেপি নেতার

আসন্ন ঈদুল আজহায় মুসলিমদের কোরবানি করার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে উত্তর প্রদেশের বিজেপি সাংসদ নন্দকিশোর গুর্জর বলেন, ‘ঈদে কাউকে কোরবানি দিতে দেখা গেলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আর যদি কেউ ভেবে থাকেন, তিনি কোরবানি দেবেনই তাহলে নিজের প্রিয় জিনিস, নিজের সন্তানকে দিন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই’। খবর সংবাদ প্রতিদিন ও আজকালের।
আগামী শনিবার পালিত হবে ঈদুল আজহা।

ভারতে মুসলিমরা করোনার মধ্যে এবং ধর্মীয় কারণে কীভাবে ঈদের নামাজ আদায় করবেন এবং কীভাবে কোরবানি করবেন তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। এমন অবস্থায় এই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তর প্রদেশ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় থাকা দলের সাংসদ।

গাজিয়াবাদের লোনি কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ নন্দকিশোর গুর্জরের দাবি, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছর ঈদে পশু কোরবানি দেওয়া উচিত নয় মুসলিমদের। আর যদি কোরবানি দিতে হয়, তাহলে নিজের সন্তানকে দিন। নিরীহ পশুগুলোকে মারবেন না।

একটিও যাতে কোরবানি না হয় সেজন্য তিনি গাজিয়াবাদ প্রশাসনকে জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গুর্জর বলেন, ‘যেভাবে সনাতন ধর্মে এখন আর বলি দেওয়া হয় না। নারকেল ফাটিয়ে আমরা বলিদানের রীতি পালন করি। সেভাবেই মুসলিমদের আমি বলব, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছর কোরবানি বন্ধ রাখুন।’

এর আগে করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির এমপি শফিকুর রহমান ঈদে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, ঈদুল আজহায় মুসলিমদের ঈদগাহ এবং মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া উচিত। মুসলিমরা যাতে কোরবানির পশু ক্রয় করতে পারে সেজন্য ঈদে পশু বাজার খোলার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।

পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতা ও সাংসদ সঙ্গীত সোম তাকে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়ে বলেন, ‘যেভাবে আজম খান (সমাজবাদী পার্টির নেতা) কারাগারে ঈদ পালন করেছেন, ওনাকেও ঈদ কারাগারে পালন করতে হবে।

সর্বশেষ নিউজ