৩১, অক্টোবর, ২০২০, শনিবার

বানভাসীদের মাঝে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিবের খাদ্য বিতরন

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের পদ্মা,মেঘনা ও ধলেশ্বরী নদীতে গত তিন দিন ধরে পানি না বাড়লেও মঙ্গলবার রাত থেকেই আবারো পানি বাড়তে শুরু করেছে।এসব এলাকার চারদিকেই থই থই পানি। বন্যার পানিতে ভাসছে লৌহজং শ্রীনগর,টঙ্গীবাড়ী,সিরাজদিখান উপজেলার ২১ টি ইউনিয়নের অসংখ্য গ্রাম।পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের ও হাট বাজারের দোকানপাট।

এতে করে পানিবন্ধী হয়ে দূভোগের কবলে পড়েছে জেলার প্রায় ৫০ হাজার পরিবার।দেখা দিয়েছে বিশুদ্ব পানি ও খাদ্য সংকটের।সেই সাথে বসতবাড়ীর ঘরগুলোতে পনি উঠে পড়ায় বেড়েছে সাপ ও কিট পতঙ্গেও উৎপাত। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের কারনে ইতিমধ্যে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার ঘরবাড়ী ও ফসলী জমি। বন্যার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

বুধবার সকালে ভাগ্যকুল পয়েন্টে বিপদ সিমার ৭৮ ও মাওয়া পয়েন্টে ৭১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পদ্মার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।এদিকে বুধবার বেলা ১১ টায় লৌহজংয়ের চরাঞ্চলের প্রায় শতাধীক পানিবন্ধী পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ব করনের ট্যাবলেট বিতরন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার ।

এ সময়ে তার সাথে ছিলেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদা,অতি:জেলা প্রশাসক দিপক কুমার রায়,পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মতিন সরকার,নির্বহী প্রকৌশলী রাসেদুল কবির,লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খান,সহকারী কমিশনার(ভুমি) রাসেদুজ্জামানসহ আরো অনেকেই।জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে মুন্সীগঞ্জের ৬ টি উপজেলার প্রায় ৩৩ হাজার পরিবার পানিবন্ধী রয়েছে।

অপরদিকে শ্রীনগর-দোহার সড়ক ও মুন্সীগঞ্জ-লৌহজং-মাওয়া-বালিগাও প্রধান সড়ক বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় যানবাহন চলাচল হুমকীর মুখে পড়েছে।

সর্বশেষ নিউজ