২৬, অক্টোবর, ২০২০, সোমবার

সিরাজদিখানে ২০ টি বসতবাড়ী নদী গর্ভে, আশঙ্কায় শতাধিক বাড়ী

সিরাজদিখান(মুন্সীগঞ্জ)প্রতিনিধি :
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ধলেশ্বরী নদীর পানি কমার সাথে সাথে নদীর তীব্র ¯্রােতের কারণে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। গত দুই দিনে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের প্রায় ২০ টি বাড়ী। হুমকির মুখে আরো শতাধিক বাড়ীসহ নতুন মসজিদ এবং ইসলামপুর কামিল মাদরাসা । এতে নদী ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ আতংকের মধ্যে রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব এলাকায় কোন ধরণের সাহায্য পাচ্ছেন না বলে ভাঙনকবলিত স্থানিয়রা অভিযোগ করেন। অনেক পরিবার তড়িঘড়ি করে তাদের ঘরবাড়ি অন্য অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে।
আজ রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে দিশেহারা ইসলামপুর গ্রামের মানুষ। ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, হঠাৎ নদীতে পানি কমে ¯্রােত বাড়ায় ভাঙনের মুখে পড়েছেন তারা। বসতভিটাসহ সবই নদীতে চলে গেছে। কিছুক্ষন পর পর বড় বড় পাড় ভেঙে পড়ছে। অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। ভাঙনের আতঙ্কে প্রোগ্রাম।

কেয়াইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশ্রাফ আলী শেখ বলেন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। নদীতে পানি কমার সাথে সাথে তীব্র স্রোতের কারণে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ টির মত বাড়ী নদীতে ভেঙ্গে নিয়েছে । উপজেলা চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান আজ সকালে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন । খুব দ্রুত প্রদক্ষেপ না নিলে শতাধিক বাড়ী ঘর নদীর গর্ভে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে । আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙনরোধের চেষ্ট করছি ।

ইসলামপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.জহুরুল হক বলেন, এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সবমিলে ১০০০ জন ছাত্র ছাত্রীলেখা পড়া করে। আমরা এখন খুবই আতংকের মধ্যে আছি। ভাঙন অব্যহত থাকলে আর কয়েক দিনের মধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে ৬০ বছরের এ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ।

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মমকর্তা আশফিকুননাহার জানান, বিষয়টি আমি জেনে সাথে সাথেই জেলা প্রশাসক স্যারের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডে যোগাযোগ করার পর সেখান থেকে কর্মকর্তা এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন । বালু সংকটের কারণে কিঞ্চিত দেরী হচ্ছে ।

সর্বশেষ নিউজ