২৮, অক্টোবর, ২০২০, বুধবার

খুলনায় চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

বিগত কয়েকবছরের মতো এবারও বিপাকে পড়েছেন খুলনার চামড়া ব্যবসায়ীরা। ট্যানারি মালিকদের নিকট বকেয়া থাকায় চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখায়নি ব্যবসায়ীরা। পানির দরে বিক্রি হয়েছে এসব চামড়া। দাম না পাওয়ায় মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোও সংকটে পড়েছে।

খুলনার চামড়া ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানিয়েছে, খুলনার ৯০ জন ব্যবসায়ীর মধ্যে এবার চামড়া কিনেছে মাত্র ৬ জন ব্যবসায়ী।তাদের ক্রয় করা চামড়ার পরিমাণও মাত্র ১০ হাজার পিস।

নগরীর শেখপাড়া চামড়াপট্টিতে কোনবানির পশুর চামড়া বিক্রি করতে আসা অনেকে অভিযোগ করেন, দাম নির্ধারণ ও রফতানির ঘোষণা দেয়ার পরও কোরবানির পশুর চামড়ার দামের বিপর্যয় ঠেকানো যায়নি। প্রতি পিচ গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে ছাগলের চামড়ার দাম প্রতি পিস ১০-২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

শেখপাড়া চামড়াপট্টির আমান লেদার কমপ্লেক্সের মালিক আমানুল্লাহ আমান বলেন, ট্যানারি মালিকদের কাছে বিগত কয়েক বছরের বকেয়া পাওনা রয়েছে। পুরনো চামড়া মজুদ থাকায় ট্যানারি মালিকরাও চামড়া কিনতে চাচ্ছে না। করোনা প্রভাবের কারণে বৈশ্বিক মন্দায় চামড়ার বাজার বিগত বছরের তুলনায় খারাপ।

ইয়াসিন লেদারের আবু জাফর বলেন, ট্যানারি মালিকরা বিগত বছরের টাকাই এখনও পরিশোধ করেননি। যে কারণে ব্যবসায়ীরা সংকটের মধ্যে রয়েছেন। এবার ১৮-২০ বর্গফুটের চামড়া ১০০ টাকা ও ৩০-৩২ বর্গফুট চামড়ার দাম ৫০০ টাকা।

এদিকে দাম না পেয়ে হতাশ হয়েছে মাদ্রাসাগুলো। সারা বছরের মধ্যে একটি বড় ব্যয় নির্বাহ করেন তারা চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে। তবে এবারেও চামড়ার দামে নানা শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন তারা।

সর্বশেষ নিউজ