২৯, অক্টোবর, ২০২০, বৃহস্পতিবার

হাতি সাঁকোতে জলাবদ্ধতা, জনদূর্ভোগ চরমে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউপির রেলওয়ের হাতি সাঁকো এক দূর্ভোগের নাম। নন্দলালপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর, সদরপুর গ্রাম আর কয়া ইউনিয়নের মানুষ এই সাঁকো দিয়েই যাতায়াত করে থাকে। হাতি সাঁকোর জলাবদ্ধতার কারনে লক্ষাধিক মানুষের যাতাযাত বন্ধ হয়েগেছে।

হাতি সাঁকোর জলাবদ্ধতা নিরসনে জনপ্রতিনিধিরা কোন উদ্যোগ নিয়েছেন বলে শোনা যায়নি এমন অভিযোগ জানান দুই ইউনিয়নের জনগন। এব্যাপারে তারা বরাবরই উদাসীন! সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এই দূর্ভোগের সমাধানের জন্যও আগ্রহী নয় এমন অনেক কথা আম- জনতার ।
কুষ্টিয়া- রাজবাড়ী মহাসড়কের মুক্তিযোদ্ধা মোড় হতে কয়া বাজার জি সি সড়কের শুরুতে অরস্থিত এই রেলসাঁকো। রাস্তাটির উপর দিয়ে রেল লাইন থাকায় জটিলতা আরো বেড়েছে। কুমারখালী উপজেলা এলজিইডি এর কয়া ইউনিয়ন অংশের সড়কের আনুমানিক ১০০ মিটার গেলেই চোখে পড়ে হাতি সাঁকোর জলাবদ্ধতা। শুধু চোখ পড়েনা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ।

বারবার কার্পেটিং এর কাজ হলেও বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে তা নষ্ট হয়ে যায় । সঠিক কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করার ফলে শত শত একর জমি পানিতে তলিয়ে আছে। ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে আছে কৃষকরা। তবে এল জি ই ডি নিজস্ব উদ্যোগে হাতি সাঁকোর নিচে ঢালাই কাজ করেছে, কিন্তু স্থায়ী জলাবদ্ধতা দুর করার ব্যবস্থা হয়নি। যানবাহন চলাচরে কষ্টের শেষ নেই, কয়েক হাজার কর্মজীবী মানুষের নিত্যদিনের কষ্ট হয়ে দাড়িয়েছে। এমন অবস্থা থাকায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারন জনতার । দুই ইউনিয়নের কাঁচামাল, তরিতরকারি সহ নানা পন্য আনানেওয়াতে ব্যাঘাত ঘটেছে চরমে।

এবিষয়ে উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, বিষয়টি আমার মাথায় আছে, প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সাঁকোর পাশ দিয়ে কয়া ইউনিয়নের রাস্তা হচ্ছে ওটার সাথে স্যাঁকোর জলবদ্ধতার সমস্যা সমাধান করা হবে দ্রুতই।

এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, জনপ্রতিনিধির দৃষ্টি আকর্ষন করেছে দুই ইউনিয়নবাসী।

সর্বশেষ নিউজ