২৬, অক্টোবর, ২০২০, সোমবার

মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রের হাত রক্ষা পেতে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি প্রেসক্লাবে প্রতিপক্ষের দায়ের করা মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ২টায় আশাশুনি প্রেসক্লাব হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত অভিযোগ ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের লাল মাহমুদ সরদারের ছেলে লুৎফর রহমান বলেন, মিত্র তেতুলিয়া গ্রামের রফিকুল গাজীর মেয়ে রোজিনা খাতুনের বাড়ীতে প্রতিনিয়ত বাইরের মানুষ যাতায়াত করে থাকে। এলাকায় সে একজন নষ্টা মহিলা নামে পরিচিত। তার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় একটি বাড়ী ঘর আছে। সে দিনে ও রাতে নিজ বাড়ীতে অসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছিলো। তার সাথে প্রায় ২০/২৫ বছর যাবত স্থানীয় মানুষের সাথে তার কর্মকান্ডের বিষয়ে বিরোধ চলে আসছে।

সম্প্রতি ৭ আগষ্ট-২০ শুক্রবার ফজরের নামাজের জন্য রবিউল গাজীর ছেলে মাদ্রাসা ছাত্র নাজিম গাজী (১২) টিউবওয়েলে অজু করতে যায়। এসময় রোজিনা খাতুন নাবালক মাদ্রাসা ছাত্র নাজিম গাজীকে কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ন করবে বলে ডাক দেয়। এসময় নাবালক মাদ্রাসা ছাত্র এগিয়ে গেলে রোজিনা খাতুন তাকে তার ঘরে আটক করে রেখে, তার ঘরে ঢিল মারার মিথ্যা অভিযোগে মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করে। এখানে শেষ নয় তার মাথায় ও মুখে আলকাদরা মাখিয়ে তার গোপনাঙ্গ কর্তৃনের ভয় দেখিয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে।

বিষয়টি জানতে পরে সকাল ৭টার দিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ রোজিনা ঘর থেকে আহত মাদ্রাসা ছাত্র নাজিমকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী সরদারের কাছে নিয়ে যায়। পরে নাজিম গাজীকে মাদ্রায় নিয়ে যান তার শিক্ষক মন্ডলী। পরবর্তীতে নাবালক মাদ্রাসা ছাত্রের উপর হামলার ঘটনার বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ।

এসময় ক্ষোভে ফেটে পড়া সাধারণ মানুষ নষ্টা মহিলার বাড়ীতে হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, এ হামলার ঘটনার ব্যাপারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা রোজিনা কর্তৃক থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা ব্যক্তিবর্গ কোন ভাবেই জড়িত নয়। তার নিজের দোষ মিথ্যার চাঁদরে আড়াল করতে সে এজাহার নামীয় ব্যক্তিদের নামে মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনার আগে ইতি পূর্বে রোজিনার আপন খালাও ভদ্র পল্লীতে সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড করায় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করায় সে ভিন্ন স্থানে গিয়ে নষ্টা পল্লী খুলে বসেছে।

বর্তমানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ ও মাদ্রাসার পাশে এবং ঘন বসতী ভদ্র পল্লী থেকে এহেন সমাজ বিরোধী কর্মকান্ডের হোতা রোজিনার বাড়ী ঘর অন্যেত্রে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সর্বশেষ নিউজ