২২, অক্টোবর, ২০২০, বৃহস্পতিবার

স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী ক্যাপসিকাম

ক্যাপসিকাম পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সবজি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন এর চাষ হয়। এটা রান্না কিংবা কাঁচা দুই ভাবেই খাওয়া যায়। ক্যাপসিকাম সাধারণত লাল, হলুদ, কমলা এবং সবুজ রঙের দেখা যায়।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ক্যাপসিকাম স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এটি যোগ করার পরামর্শ দেন। নিয়মিত ক্যাপসিকাম খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. ক্যাপসিকামে উচ্চ পরিমাণে লুটেইন এবং জেক্সানথিন পাওয়া যায়। এ কারণে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যাপসিকাম খেলে তা চোখের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এছাড়া ক্যাপসিকাম চোখের ছানি এবং ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের মতো চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

২. লাল ক্যাপসিকাম থার্মোজিনেসিসকে সক্রিয় করতে এবং বিপাকের হার বাড়াতে সহায়তা করে। এতে হালকা থার্মোজেনিক অ্যাকশন থাকায় এটি ঝাল মরিচের মতো হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ না বাড়িয়ে বিপাকে সহায়তা করে। এভাবে এটি ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে।

৩. ক্যাপসিকামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। ক্যাপসিকামে উপস্থিত এনজাইমগুলি গ্যাস্ট্রিক এবং খাদ্যনালী ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৪. ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। লাল ক্যাপসিকামে অন্যান্য শাকসবজি ও ফলের চেয়ে সর্বাধিক পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এ কারণে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী।

৫. ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ ক্যাপসিকাম হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে।

৬. ক্যাপসিকামে ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন বি ৬ উভয়ই বেশি থাকে। এই দুটি ভিটামিন স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য। এছাড়া ম্যাগনেসিয়াম পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। এটি হৃদস্পন্দন নিয়মিত হতেও ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সর্বশেষ নিউজ