২৮, সেপ্টেম্বর, ২০২০, সোমবার

ঘর ভাঙলো মুনমুনের, দ্বিতীয় স্বামীকেও তালাক

টাঙ্গাইলের সখিপুরে মসজিদের সামনে নেচে ক’দিন আগেই তোপের মুখে পড়েন চিত্রনায়িকা মুনমুন। সে ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঢাকাই ছবির এই ঝড় তোলা নায়িকার ঘর ভাঙার খবর এলো। দ্বিতীয় সংসারও তার টিকলো না। হ্যাঁ, ভেঙেই গেলো মুনমুনের ১০ বছরের সংসার।

গেল মাসে কোরবানির ঈদের একদিন পরই স্বামী মীর মোশাররফ রোবেনের সঙ্গে মুনমুনের তালাক হয়। বিচ্ছেদের খবরটি মুনমুন নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

মুনমুন বলেন, ‘রোবেন শুধু তার নিজের স্বার্থের কথাই চিন্তা করেছে। সংসারের প্রতি তার কোনও মনোযোগ ছিল না। সে সিনেমা বানাতে চাইতো, আমি অর্থের যোগান দিতাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হতো না। যার কারণে আমি তাকে বলতাম সংসারের দিকে মনোযোগ দিতে। কিন্তু সে দিতো না।’

ঢালিউডের এই অভিনেত্রী বলেন, ‘রোবেনকে আমি আমার নিজের একটি ফ্ল্যাট ছেড়ে দিয়েছিলাম স্টুডিওর জন্য। বিভিন্নভাবে টাকা পয়সাও দিতাম। আমি চাইতাম সে উঠুক, সে নায়ক হতে চাইতো। আমিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করতাম। কিন্তু আমাকে শারীরিক নির্যাতন করতো সে, এটা মেনে নিতে পারতাম না।’

রোবেন একজন শৌখিন মডেল। যাত্রা-শোসহ পারফর্মার হিসেবে মুনমুনের সঙ্গে কাজের সূত্রে পরিচয় হয় তার। এরপর বয়সে ছোট রোবেনকে বিয়ে করে দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন মুনমুন।

কিন্তু ১০ বছরের সংসারের পুরোটা সময় তাদের একসঙ্গে থাকা হয়নি। মুনমুন বলেন, ‘আমরা ৪ বছর আলাদা ছিলাম। একটা সময় সে ফিল করতে পেরেছে। তারপর সে ফিরে আসে। কিন্তু ফিরে এসেও সে আগের মতোই আচরণ করে। টাকা পয়সা নেয়, মারধর করে। আমাদের একটি সন্তান আছে, সেদিকেও তার কোনও মনোযোগ ছিল না। তাকে এসব কথা বলাই যেতো না। সে নিজের চিন্তায় সবসময় অস্থির থাকতো।’

‘শারীরিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছিল। ভেবে দেখলাম, ওর সঙ্গে থাকা আরও সম্ভব নয়। যে কারণে আমি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিই। কোরবানির ঈদের পরদিনই আমাদের ডিভোর্স হয়’- বলেন এই ঢাকাই নায়িকা।

২০০৩ সালে সিলেটের একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে মুনমুনের বিয়ে হয়। ২০০৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। ২০১০ সালে রোবেনকে বিয়ে করে দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন মুনমুন।

সর্বশেষ নিউজ