২, ডিসেম্বর, ২০২০, বুধবার

ইসলাম অবমাননার প্রতিবাদে ফরাসি পণ্য বর্জনে একাট্টা মুসলিমবিশ্ব!

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ তার দেশে ইসলাম ও তার নবী মুহাম্মাদ (সা.) এর উপর ধারাবাহিক অবমাননার পদক্ষেপের সমর্থন জানানোর পর ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে মুসলিমবিশ্ব। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য একাধিক মুসলিম ও আরব রাষ্ট্র বিশেষত মুসলিম উম্মাহকে ফরাসি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে।

টুইটার, ফেসবুক, ইন্স্টাগ্রাম ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমূহে هاشتاغ #فرنسا_تسيء_لنبي_الأمة (#উম্মাহর নবীকে ফ্রান্সের অবমাননা) এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে সৌদি আরব, মরোক্কো, আলজেরিয়া, মিসর, কুয়েত এবং বাহরাইন সহ আরো কয়েকটি দেশের নাগরিকরা এই আহবান জানাচ্ছেন।

তারা বলছেন, নিজেদের অবস্থান থেকে আমাদের সবারই ইসলাম ও মহানবী (সা.)- এর অবমাননার প্রতিবাদ করা উচত্। ফরাসি পণ্য বর্জন- এটাও একটি কার‌্যকর প্রতিবাদ বলে তারা মনে করেন। সূত্র: আল জাজিরা মুবাশির

মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে আপত্তিজনক গান শেয়ার করছে ইসরাইল

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে অপমান গাওয়া গান ইউটিউবে শেয়ার করছে ইসরায়েলি ফুটবল ভক্তরা। ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের আরব সদস্য আয়মান ওদেহ এমন অভিযোগ করেছেন।

ওদেহ বলেন, ইসরায়েলি ফুটবল ক্লাব বেইতার জেরুজালেমের ভক্তরা সম্প্রতি ইউটিউবে মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে আপত্তিজনক গান প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে ইসলাম ভীতিমূলক উস্কানির প্রেক্ষাপটে’ সম্প্রতি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে ওই গানগুলো। আপত্তিজনক এসব গান মুছে দিতে ইউটিউবের মালিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ওদেহ।

ফ্রান্সে মুহাম্মদ (সা.) এর আপত্তিজনক ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ নিয়ে পুরো মুসলিম বিশ্ব প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। আর এরই মধ্যে ইসরায়েলের ফুটবল ভক্তরা ইসলাম ও রাসুল (সা.) কে নিয়ে আপত্তিজনক গান প্রকাশ করে উস্কানি আরও বাড়াতে চাচ্ছে।

সম্প্রতি মতপ্রকাশের অধিকার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মহানবী (সা.) এর কার্টুন দেখিয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ফরাসি শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি। এ ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। এরপর ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তার দেশ এ ধরনের কার্টুন ছাপানো থেকে বিরত থাকবে না।

এর জবাবে কুয়েত, কাতার, জর্ডান, মরক্কোসহ বেশ কয়েকটি আরব দেশ ও তুরস্ক ফ্রান্সের পণ্য বর্জন করতে তাদের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানায়। সৌদি আরবও ওই ব্যঙ্গচিত্রের নিন্দা জানিয়েছে। তবে ফরাসি পণ্য বর্জনের মতো কোনও পদক্ষেপ নেয়নি দেশটি।

সর্বশেষ নিউজ