৩০, নভেম্বর, ২০২০, সোমবার

খোকসায় অনুমোদন বিহীন ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভার অনুমতি ব্যতিত নকশা অনুমোদন না করিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ ও পার্শ্ববর্তী পরিবারের বাড়ির উপর দ্বিতীয় তলা থেকে ভবন এক্সটেনশনের কারনে তাদের বসবাস অনুপযোগী হয়ে পরেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী মোঃ হানিফ জানান, খোকসা উপজেলা গেটের সামনে রাস্তার অপর পার্শ্বে মৃত কোবদ আলীর ছেলে জিল্লুর রহমান বহুতল ভবন নির্মাণে নীচতলা সঠিক করলেও উপর দিকে বিল্ডিং করার সময় তার বাড়ির দিকে এগিয়ে আসে যেকারনে কাজ করাকালীন তার টিনশেড ঘরের উপর সিমেন্ট বালি সহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী পরে ইতিমধ্যে টিনের একাধিক স্থানে ছিদ্র হয়ে সামান্য বৃষ্টিতে ঘরের মধ্যে পানি ঢুকে আসবাবপত্র সহ ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন স্থাপনা নির্মাণের সময় চতুর্দিকে ১ মিটার (৩’. ৩”) জায়গা ফেলে রাখার নিয়ম থাকলেও জিল্লুর রহমান ১ ইঞ্চি জায়গা ফেলে না রেখে বরং দ্বিতীয় তলা থেকে তার বাড়ির উপর এগিয়ে এসে স্থাপনা করেছে। এবং খোঁজ নিয়ে দেখা যায় পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন না করিয়েই তিনি ভবনের একাংশ পাঁচতলা বিশিষ্ট করছেন। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করলে তিনি জিল্লুর রহমানকে বলতে গেলে প্রভাবশালী হবার কারনে তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। যে কারনে তিনি খোকসা থানায় ২ নভেম্বর জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন সুবিচারের আশায়।

এ বিষয়ে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী টিপু জানান, জিল্লুর রহমান পৌরসভা থেকে কোন নকশা অনুমোদন করাননি। এবং ৭ মাস পূর্বে কাজ চলাকালীন তাকে পৌরসভা থেকে নোটিশ করা হয় কিন্তু তিনি কর্ণপাত না করায় আরো দুইবার নোটিশ করা হলেও তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঁচতলার বিষয়ে জানান উপজেলা পর্যায়ে ৪ তলার অধিক স্থাপনা করার নিয়ম নাই। কাজ কেন বন্ধ করানো হয়নি বিষয়ে জানান মেয়র মহোদয় জানেন।

এ বিষয়ে পৌরসভার মেয়র মোঃ তারিকুল ইসলাম জানান, কবে বিল্ডিং করেছে এটা আমি জানিনা জিল্লুর বাড়ির পাশের হানিফের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানতে পারি। এবং জমি মেপে দেখা যায় জিল্লুর কোন জায়গা না রেখে স্থাপনা করেছে। তিনি বলেন নকশা বিহীন বিল্ডিং অবৈধ এবং ৪ তলার উপর স্থাপনা করলে ভেঙে দেয়া হবে। নকশা অনুমোদন না করিয়ে ভবন কিভাবে নির্মাণ করছে পৌরসভার কেউ যদি তাকে সহযোগিতা করে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পার্শ্ববর্তী পরিবারের ঘরের উপর অবৈধভাবে স্থাপনার বিষয়ে বলেন এটা স্থানীয়ভাবে বসে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে সমাধান হতে পারে।

সর্বশেষ নিউজ