২৮, নভেম্বর, ২০২০, শনিবার

আমাদের নেতারা বেইমান ও অ’কৃতজ্ঞ- সাক্ষাৎকারে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন

সাড়ে ৫ বছর ভারতে অবস্থান করছেন। এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন ‘নর্থ ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজিওয়াল ইনিষ্টিটিউট অব হেলথ এবং মেডিকেল সায়েন্সে’। শিলং এর এই মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়মিত থেরাপি নেন। মেঘালয় আদালত তাকে অ’বৈধ ভাবে ভারতে অনু-প্রবেশ করার অপরাধে গ্রেপ্তার করে এবং সাজা দেয়। চলতি মাসে তার বাংলাদেশে ফেরার কথা থাকলেও তাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দেয়নি। এখন মানসিক ভারসাম্যহীন তিনি। তিনি হলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ।

তিনি কেবল বিএনপি নেতা নন, খালেদা জিয়ার নিকটাত্মীয়ও বটে। ‘৯১-তে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হলে তার সহকারী একান্ত সচিব হয়েছিলেন। ২০০১-এ চাকরী ছেড়ে কক্সবাজার থেকে বিএনপির টিকেটে এমপি হন। যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে বিএনপি জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে, লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেন। তখন অজ্ঞাত স্থান থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষনা দিয়ে আলোচনায় আসেন সালাউদ্দিন। তার ঐ ভিডিও বার্তাগুলো ছিলো আল-কায়েদা নেতাদের স্টাইলে।

এরকম ভিডিও বার্তা দিতে দিতেই ২০১৫’র মার্চে নি-খোঁজ হয়ে যান সালাউদ্দিন আহমেদ। ৩ মাস পর তাকে পাওয়া যায় মেঘালয়ের শিলং-এ। এখন দাড়ি রেখেছেন, ধর্মকর্মে মন দিয়েছেন। পুলিশ প্রহরায় থাকলেও লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে পারেন। ফোনেও বাংলাদেশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন, গতরাতে পাওয়া গেল সালাউদ্দিনকে।

বললেন, আমি তো সাক্ষাৎকার দিতে পারবো না। আমি তো জেলেই থাকতাম। অসুস্থতার জন্য ওরা আমাকে সুযোগ দিয়েছে, এখানে থাকার।

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় কি না জনতে চাওয়া হলে বলেন, ওরা তো বিশ্বাসঘা’তক, বেইমান, অ’কৃতজ্ঞ। ওরা ম্যাডামের সাথে যা করেছে, তাহলে বোঝো আমার সাথে কী করতে পারে। ওদের জন্যই তো আমার এই অবস্থা। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, ওরা আমাকে মে’রে ফেলেনি।

তিনি আরও বলেন, দেশে থাকলে আমি তো পার্টির মহাসচিব হতাম। এজন্যই ওরা এসব করেছে।

আসলে কী হয়েছিল? কেন তিনি ভারতে গেলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে বললেন, থাক বাদ দাও। এসব নিয়ে এখন কথা বলবো না। আমি বেশিক্ষণ কথা বলতে পারি না। মাথা ব্যাথা করে। ট্রিটমেন্ট চলছে তো। বাংলাইনসাইডার।

সর্বশেষ নিউজ